1. admin@dainikdigantor.com : admin :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কেসিসি ১৭ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের অঙ্গিকার আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কামাল মোস্তফাকে ‘লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল’ ম্যাগাজিন প্রদান ‎তালতলীতে একই প্রতিষ্ঠানে ৩ শিক্ষকের নিয়োগ জালিয়াতি খুলনা সবুরুন্নেসা মহিলা কলেজের নবনির্বাচিত সভাপতিকে খুলনা কবি সাহিত্যিক ফোরামের ফুলেল শুভেচ্ছা মোটরসাইকেল চালকদের হেলমেট ব্যাবহার করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিলেন নেত্রকোণা জেলার পুলিশ সুপার আমতলীতে মাদক ব্যবসায়ী, সহযোগী ও পৃষ্ঠপোষকতাকারীকে গ্রেফতার উপনির্বাচনে বিএনপির এলিজা জামান একক প্রার্থী হওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেতে যাচ্ছেন খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ২৫০ অর্থ আত্মসাত ও সহযোগিতা” কেসিসি’র লাইসেন্স শাখার ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা খুলনার বটিয়াঘাটায় এবার ওহিদুল ইসলাম বাদল নামে এক যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ

‎তালতলীতে একই প্রতিষ্ঠানে ৩ শিক্ষকের নিয়োগ জালিয়াতি

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬

আবুল হাসানঃ বরগুনার তালতলীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালার তোয়াক্কা না করে অভিনব কায়দায় জালিয়াতির মাধ্যমে টিকে আছেন ৩ শিক্ষক। নিয়োগ ও সনদ জালিয়াতি সহ দূর্নীতি আর অনিয়মের মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছেন সরকারি অর্থ। এদের মধ্যে আবুল কালাম নামের একজন সহকারী মৌলভী থেকে রাতারাতি বনে গেছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। অন্যজনকে সরকারি অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিলেও ধামাচাপা পড়ে আছে অডিট পত্র। বরং ভূয়া এ শিক্ষকও নিয়েছেন পদোন্নতি। তদন্ত সাপেক্ষে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষা অফিস। ‎বরগুনার তালতলী উপজেলার ছোটভাইজোড়া ছালেহিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় ১৯৯০ সালে সহকারী মৌলভী পদে নিয়োগ পায় মাওঃ আবুল কালাম। ১৯৯৫ সালে সকল পরীক্ষায় ২য় বিভাগ আবশ্যক উল্লেখ করে সহসুপার পদোন্নতির বিজ্ঞপ্তি দেয় সরকার। সে সময়ে বৈধ কাগজপত্র অনুযায়ী সহ সুপার ছিলেন মাওঃ আঃ সত্তার। তার শিক্ষা সনদে ৩য় বিভাগ দাবি করে মাও. আবুল কালাম। নিজের ২ টি সনদ জাল করে ২য় বিভাগ দেখিয়ে আঃ সত্তারকে স্ব-পদ থেকে সরিয়ে নিজ হাতে রেজুলেশন করে সহ সুপার পদে পদোন্নতি নেয় তিনি। তৎকালীন সুপার আপত্তি জানালেও কোনো কাজে আসেনি। বরং রাতারাতি সহ সুপার পদায়নে প্রধান প্রভাষক, পদায়নে উপাধ্যক্ষ এবং বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বনে গেছেন জালিয়াতির কারিগর আবুল কালাম। ‎এদিকে ১৯৯৫ সালে ক্বারী পদ বিলুপ্ত করে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। বিলুপ্ত পদে ২০০২ সালে আবুল কালামের ভগ্নীপতি হাফিজুর রহমানকে নিয়োগ দেয়া হয়। ২০০৯ সালের “মিনিষ্টারী অডিটের নথি অনুযায়ী তাকে অবৈধ দাবি করা হয়েছে এবং সকল অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তর পকেটে নিয়ে অর্থ ফেরত না দিয়ে ইবতেদায়ী প্রধান পদে পদোন্নতি নিয়েছে দুলাল। ২০০২ সালে একই প্রতিষ্ঠানে অফিস সহকারী পদে নিয়োগ পায় আবুল কালামের সহোদর ভাই আঃ রব। আঠারোর (১৮) জনবলে উম্মুক্ত সনদে চাকরির বিধি না থাকলেও ওই জনবলকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে উম্মুক্ত সনদ দিয়ে ২০ সালে বনে গেছেন গ্রন্থাগার শিক্ষক। অবৈধ এ সকল শিক্ষক বেতনের নামে হাতিয়ে নিচ্ছেন রাষ্ট্রীয় কোষাগারের কোটি কোটি টাকা। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি অন্যান্য শিক্ষক ও সাধারণ মানুষের।‎সাবেক সহ সুপার মাও. আঃ সত্তার (অবসরপ্রাপ্ত) বলেন, জালিয়াতির মাধ্যমে আবুল কালাম আমাকে ঠকিয়ে সহ-সুপার পদোন্নতি নিয়েছেন। আরও ২ শিক্ষক জালিয়াতি করে চাকরি করছেন। তাদের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন রয়েছে। আমরা সঠিক বিচার প্রার্থনা করছি। বিলুপ্ত পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হাফিজুর রহমানের বলেন, নিয়োগ বিধি জানা ছিলো না। কিভাবে নিয়োগ পেয়েছে জানতে চাইলে তিনি এবং গ্রন্থাগার শিক্ষক আঃ রব কোনো জবাব দিতে পারেনি। নিয়োগ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কথা বলতে নারাজ জালিয়াতির কারিগর ও বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ্য মাওঃ আবুল কালাম। এদিকে তৎকালীন সময়ের প্রতিষ্ঠান প্রধান মাওলানা আবু জাফর মোঃ সালেহ বলেন,  জালিয়াতি ও তথ্য গোপন করে নিয়োগ পেয়েছে মাও. আবুল কালাম। আমি সে সময়ে তার বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ দিলেও কোনো কাজে আসেনি। ‎তালতলী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ টিপু সুলতান বলেন, বিষয়টি আমার একদমই জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ দৈনিক দিগন্তর © বাজ এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।। Regi No-280138  
Theme Customized By Shakil IT Park