
আবুল হাসানঃ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসাইন ফরাজীকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপজেলা বিএনপি ও তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। বিএনপির যৌথ বিবৃতিতে স্থানীয় বিএনপি ও জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ এর প্রতিবাদ জানায়। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংগঠনিক ত্যাগকে ক্ষুন্ন করা কোনভাবেই সমচীন নয়। জাহাঙ্গীর ফরাজী মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সর্বোচ্চ ত্যাগী নেতা। তাহার ছাত্র জীবন থেকে তিনি শহীদ জিয়ার আদর্শে পথচলা, রাজনীতিতে অত্যন্ত পরিচিত অবিশ্বস্ত একটি মুখ। ছাত্রদল ও যুবদলের সভাপতি ছিলেন। এমন কি ভোটের মাধ্যমে ৯৮ পারসেন্ট ভোট পেয়ে সততা ও নিষ্ঠার সাথে রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। বর্তমানে তিনি সুবিদখালী রোকেয়া খানম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঝাটিবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও আমড়াগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি সহ বিভিন্ন শিক্ষা এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তারা আরও জানান, একটি স্বার্থন্বেষী ও কুচুক্তি মহল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য জাহাঙ্গীর ফরাজির অবস্থান দুর্বল করতে এবং তাহাকে সামাজিকভাবে হেয় করতে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদে যে অস্ত্র মামলা প্রসঙ্গ উঠে এসেছে তা বর্তমানে বিচারাধীন। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী আদালতে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার আগে কোন ব্যক্তিকে অপরাধী হিসেবে গণ্য করা ন্যায় বিচার পরিপন্থী। নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সত্য উন্মোচিত হবে এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত কোন অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে সর্বস্তরের মানুষ সঠিক ও নিরপেক্ষ মূল্যায়ন করবেন। তাহারা আরো জানান যে কুচক্রী মহল এই মিথ্যা ও বিভ্রান্ত কর অপপ্রচার চালাচ্ছে তাহারা কেহই পূর্বে বিএনপি রাজনীতির সাথে ছিলেন না, জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ থেকে এসেছেন। আমরা বিএনপির নেতাকর্মী ও উপজেলার হাজার হাজার জনগণ জাহাঙ্গীর হোসাইন ফরাজীর সাথে দেখা করতে গেলে তিনি সকলকে ধৈর্য ধারণ করে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সচেতন থাকার অনুরোধ জানান।