
আবুল হাসানঃ বরগুনায় ভুয়া ডাক্তার খ্যাত বিধান রঞ্জন সরকারের নেই বিএমডিসি ও বিএনএমসির সনদপত্র। চিকিৎসাসেবা দেওয়ার কোন প্রকার বৈধতা না থাকলেও প্রতিনিয়ত অপচিকিৎসা করছেন তিনি। জ্বর ও হাঁচি-কাশি সহ সকল রোগের চিকিৎসা করেন তিনি। গ্রামাঞ্চলের সহজ সরল ও অবলা মানুষ তার কাছে গেলে দেওয়া হয় একাধিক পরীক্ষা। পরীক্ষায় কোন প্রকার সমস্যা না থাকলেও দেওয়া হয় এন্টিবায়োটিকের পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকটি ঔষধ। বরগুনা মেকার পট্টিতে চেম্বার করেন বিধান রঞ্জন সরকার নামের কথিত চিকিৎসক। অনুমতি ও সনদপত্র না থাকলেও সকল ধরনের রোগের চিকিৎসা করেন তিনি। ব্যবস্থাপত্রের পাশাপাশি দিয়ে থাকেন একাধিক পরীক্ষা। তবে তার নিজ মালিকানাধীন অবৈধ ক্লিনিক মিনতী ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে পরীক্ষা করানো বাধ্যতামূলক। এমন কি তাহার কাছে চিকিৎসা করতে যাওয়া রোগীদের ঔষধ কিনতে হবে বিধানের ছেলের ফার্মেসি অপূর্ব মেডিকেল হল থেকে। ভুয়া ডাক্তারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি স্থানীয়দের। বিধান রঞ্জন সরকারের কাছে তার সনদ ও ব্যবস্থাপত্রসহ অবৈধ ক্লিনিক সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি সত্তর দিতে পারেনি। বরং গ্রাম ডাক্তার সভাপতি জালাল উদ্দীনকে ডেকে বিতর্কের সৃষ্টি করে। জালাল উদ্দীনের কোনো চেম্বার করার বৈধতা না থাকলেও তারা উভয়ই দিব্বি চেম্বার বাণিজ্য করে যাচ্ছেন। বরগুনা সিভিল সার্জন ডাক্তার আবুল ফাত্তাহ্ বলেন, বিধান রঞ্জন সরকারকে এর আগেও দু’বার জেল জরিমানা করা হয়েছে। তিনি সহ ভুয়া ব্যক্তি বিশেষের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।