1. admin@dainikdigantor.com : admin :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অসহায়, দরিদ্র ও দুঃস্থ মানুষের সেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান : লায়ন শেখ মোস্তাফিজুর রহমান দুর্গোৎসবের মহাসপ্তমী আজ বেতাগীতে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে শিক্ষকের চিকিৎসা চেম্বার, শিক্ষার্থী শূন্য মাদ্রাসা  নির্বাচনের পর প্রথম খুলনা আসছেন প্রধানমন্ত্রী বরগুনায় অফিস সহায়ক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ১০ জনের মৃত্যু মানবসেবায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান, এতিমদের মাঝে লায়ন্স ক্লাবের খাবার বিতরণ অসহায়, দরিদ্র ও দুঃস্থ মানুষের সেবায় লায়ন্স সদস্যদের এগিয়ে আসার আহ্বান — লায়ন শেখ মোস্তাফিজুর রহমান মৃত জ্যোতি প্রসাদ নাথের মৃত্যুবার্ষিকীতে বাংলাদেশ অনলাইন প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের গভীর শ্রদ্ধা ও স্মরণ বাংলাদেশ অনলাইন প্রেসক্লাবের সম্মাননা ক্রেস্ট পেলেন আনান গ্রুপের চেয়ারম্যান রিপন তরফদার নিয়াম

কেসিসি’র ট্যাক্স আদায়কারী থেকে রাতারাতি সম্পত্তি শাখার প্রধান! সালাউদ্দিনের পদায়ন ও ভুয়া বিলে অর্থ লোপাটের অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা।।খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) রাজস্ব বিভাগের সাধারণ একজন ট্যাক্স আদায়কারী থেকে রাতারাতি সম্পত্তি শাখার প্রধান (এস্টেট অফিসার) বনে যাওয়া মো. সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে বিতর্কিত পদায়ন ও কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কোনো তোয়াক্কা না করে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে পদ দখল এবং ভুয়া শ্রমিক দেখিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় কেসিসি জুড়ে চরম ক্ষোভ ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন নগরবাসী ও সংশ্লিষ্ট মহল এই নজিরবিহীন জালিয়াতির সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ১৯৯৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি খুলনা সিটি কর্পোরেশনে সাধারণ ‘ট্যাক্স আদায়কারী’ হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তিনি সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট অব ট্যাক্স পদে পদোন্নতি পান। তবে কোনো নিয়মনীতি বা জ্যেষ্ঠতার তোয়াক্কা না করে কী প্রক্রিয়ায় তিনি রাজস্ব বিভাগ থেকে সরাসরি সম্পত্তি শাখার শীর্ষ পদ অর্থাৎ ‘এস্টেট অফিসার’ পদে আসীন হলেন, তা নিয়ে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।অভিযোগ রয়েছে, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে কেসিসির তৎকালীন প্রশাসনের ওপর অনুচিত প্রভাব খাটিয়ে সালাউদ্দিন এই গুরুত্বপূর্ণ পদটি বাগিয়ে নেন।শুধু পদ বাগানোই নয়, দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই তার বিরুদ্ধে ব্যাপক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। সম্প্রতি কেসিসির বিভিন্ন উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে শ্রমিক নিয়োগ সংক্রান্ত বিলে শতভাগ জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। নথিপত্রে ৫০ জন শ্রমিক মাঠে কর্মরত থাকলেও বাস্তবে ১০০ জন শ্রমিকের ভুয়া তালিকা ও ভুয়া হাজিরা দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ উত্তোলন ও আত্মসাৎ করা হয়েছে।এ বিষয়ে অভিযুক্ত এস্টেট অফিসার মো. সালাউদ্দিনের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার তাঁর যোগাযোগের মাধ্যমে চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।এদিকে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, বিষয়ের ওপর লিখিত অভিযোগ বা সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ পেলে আইন ও বিধি অনুযায়ী তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তে সত্যতা মিললে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।নগরবাসীর একাংশ ও কেসিসির সচেতন কর্মচারীরা জানান, সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ফিরিয়ে আনতে এস্টেট অফিসার সালাউদ্দিনের এই রাতারাতি পদোন্নতি এবং ভুয়া বিলের মাধ্যমে অর্থ লোপাটের বিষয়টি কোনো নিরপেক্ষ সংস্থার মাধ্যমে স্বাধীন তদন্ত হওয়া জরুরি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ দৈনিক দিগন্তর © বাজ এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।। Regi No-280138  
Theme Customized By Shakil IT Park