
সাংবাদিক মহলে যদি এভাবে গ্রুপিং, বিভাজন ও পারস্পরিক বিরোধ চলতে থাকে, তাহলে এ ধরনের ঘটনা দিনে দিনে আরও ঘটবে—এটাই স্বাভাবিক।সাংবাদিকদের নিজেদের মধ্যে বিভক্তি ও একে অপরকে বিপদে ফেলার প্রবণতার কারণেই একের পর এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে। এ ক্ষেত্রে মালিকপক্ষের দায়ও অনেকাংশে সীমিত বলেই মনে হয়।দুঃখজনক হলেও সত্য, একজন সাংবাদিক আরেকজন সাংবাদিককে প্রতিপক্ষ মনে করছেন, কেউ কেউ আবার অন্যকে বিপদে ফেলতে সুযোগের অপেক্ষায় থাকছেন। এর বাইরেও সাংবাদিক মহলের অভ্যন্তরে এমন অনেক বিষয় রয়েছে, যেগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ না করাই শ্রেয়।তাই নিজেকে ‘সাধু’ মনে করা সবাইকে বলছি—সাবধান হোন। সময় থাকতে নিজেদের মধ্যে বিভেদ, হিংসা, প্রতিহিংসা ও একে অপরকে হেয় করার মানসিকতা পরিহার করুন। নইলে একে একে অনেকের পরিণতিই হয়তো আজকের ঘটনার চেয়েও ভয়ংকর হতে পারে।সবচেয়ে বড় কথা, এই বিভাজন ও পারস্পরিক দ্বন্দ্বের সুযোগে কারা লাভবান হচ্ছে—সেটিও আমাদের গভীরভাবে ভাবতে হবে। সাংবাদিকদের এই অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব যত বাড়বে, মালিকপক্ষের সুফলও ততই বাড়তে থাকবে।সাংবাদিকদের শক্তি বিভাজনে নয়, ঐক্যে। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সবাইকে একসঙ্গে দাঁড়াতে হবে।আমরা যে যত বড়-বড় মিডিয়াতে কাজ করি আর যাই করি দিনশেষে আমরা সকলেই কিন্তু কর্মচারী কেউ কিন্তু মালিক নয়! তাই এভাবে আমরা আর কোনো প্রিয় সহকর্মী ভাই পুলক চ্যাটার্জির মতো কোনো ভাই কে গণমাধ্যম অঙ্গন থেকে হারাতে চাইনা। তাই প্রিয় সহকর্মী ভাই-বোনেরা আমরা সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে হিংসা ও অহংকার ছেড়ে সকলে ঐক্যবদ্ধ হই।
নাজমুল হুদা (সাংবাদিক ও কলামিস্ট)