1. admin@dainikdigantor.com : admin :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দুর্গোৎসবের মহাসপ্তমী আজ বেতাগীতে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে শিক্ষকের চিকিৎসা চেম্বার, শিক্ষার্থী শূন্য মাদ্রাসা  নির্বাচনের পর প্রথম খুলনা আসছেন প্রধানমন্ত্রী বরগুনায় অফিস সহায়ক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ১০ জনের মৃত্যু মানবসেবায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান, এতিমদের মাঝে লায়ন্স ক্লাবের খাবার বিতরণ অসহায়, দরিদ্র ও দুঃস্থ মানুষের সেবায় লায়ন্স সদস্যদের এগিয়ে আসার আহ্বান — লায়ন শেখ মোস্তাফিজুর রহমান মৃত জ্যোতি প্রসাদ নাথের মৃত্যুবার্ষিকীতে বাংলাদেশ অনলাইন প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের গভীর শ্রদ্ধা ও স্মরণ বাংলাদেশ অনলাইন প্রেসক্লাবের সম্মাননা ক্রেস্ট পেলেন আনান গ্রুপের চেয়ারম্যান রিপন তরফদার নিয়াম রাজউকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রিয়াজুল ইসলামকে বাংলাদেশ অনলাইন প্রেসক্লাবের সম্মাননা

দখল ও দূষনে টাঙ্গাইলের লৌহজং নদী-প্রান ফিরে পেতে নতুন জঞ্জাল

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৯ জুন, ২০২৪

 

স্টাফ রিপোর্টার টাঙ্গাইল।।দখল ও দূষনে টাঙ্গাইলের লৌহজং নদী নতুন করে প্রান ফিরে পেতে নতুন জঞ্জাল তৈরী হয়েছে।জানাযায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের কাশিনগর এলাকায় ধলেশ্বরী নদী থেকে উৎপত্তি হয়ে ৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ লৌহজং নদী জেলা শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে জেলার মির্জাপুর উপজেলার বংশাই নদীতে পড়েছে।এক সময় এই নদীকে কেন্দ্র করে শহরের নিরালার মোড় এলাকায় নৌবন্দর ছিল বলেও জানাযায়।ওই সময় দেশ-বিদেশ থেকে লঞ্চ, স্টিমার, জাহাজ ও বড় বড় নৌকা বাণিজ্যে আসতো ওই নৌবন্দরে।আর মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশ ছিল এখানে।উজানে যমুনা ও এর শাখা ধলেশ্বরীতে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়ে লৌহজং নদীতেও। ফলে নাব্যতা হারাতে থাকে নদীটি। ফলে বন্ধ হয়ে যেতে থাকে বড় নৌকার চলাচল।দীর্ঘদিন ধরে ড্রেজিং না করায় নদীটি নাব্যতা হারিয়েছে।এই সুযোগে দুই পাড়ের বাসিন্দারা কৌশলে প্রথমে ময়লা-আবর্জনা ফেলে দখল করে নেয়। পরবর্তী সময়ে স্থায়ী ভবন, দেয়াল ও স্থাপনা নির্মাণ করেন। এ ছাড়া কল-কারখানা ও শহরের সব ময়লা-আবর্জনা নদীতে ফেলে দূষিত করা হচ্ছে পানি।টাঙ্গাইল অংশে নদী পরিমাপ করে ২৬০টি অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়।এ অবৈধ দখলদারিত্বের নামের তালিকা বিল বোর্ড করে নদীর বিভিন্ন স্থানসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টাঙানো হয়।নদীটি দূষণ ও দখল মুক্ত করার জন্য ২০১৬ সালে আন্দোলনে নামে স্থানীয় বাসিন্দারা।ওই বছরের ২৯ নভেম্বর নদীটি দূষণ ও দখলমুক্ত কার্যক্রম উদ্বোধন করেন তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. মাহবুব হোসেন।সে সময় শহরের পুলিশ লাইনস হাজরাঘাট এলাকা থেকে বেড়াডোমা পর্যন্ত চার কিলোমিটার দূষণ ও দখলমুক্ত করা হয়।কিন্তু চার বছর যাবত কোনো কার্যক্রম না থাকায় নদীর স্বাভাবিক গতি হারিয়ে সরু খালে পরিণত হয়েছে।“তিন-চার দশক আগেও এই নদীতে গোসল করা যেত।নদীর পানি দূষণের ফলে ব্যবহারের অনুপযোগী। নদীতে মাছ তো দূরের কথা, পানিতে বসবাসকারী কোনো পোকাও নেই।এর কারণ হচ্ছে, বিভিন্ন কারখানার বর্জ্য ফেলে নদীটি বিভিন্নভাবে দূষণ করা হয়েছে।নদী থেকে দুর্গন্ধ ছড়াতে থাকে। ”টাঙ্গাইলে লৌহজং নদীর প্রাণ ফিরিয়ে আনতে আবর্জনা পরিষ্কার অভিযান শুরু হয় স্বাধীনতার মাসের প্রথম দিন।ওই দিন সকাল সাড়ে ৯টায় শহরের হাউজিং মাঠ এলাকায় নদীর ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্থানীয় জাতীয় সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন। “বিডিক্লিনের দুই হাজার সদস্যসহ মোট তিন হাজার স্বেচ্ছাসেবীর সহায়তায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম শুরু হয়।প্রধান মন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প নদী, খাল জলাশয় উদ্ধারের আওতায় রাজ্য সিনেপ্লেক্স লৌহজং নদী আবর্জনা পরিস্কার ও নদীর দুই পাড়ে প্রায় ৫ কিলোমিটার দৃষ্টি নন্দন রাস্তা তৈরিতে যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করলেও অদৃশ্য শক্তির কাছে অনেকটাই অসহায় হয়ে পরেছন। নদীপাড়ের বাসিন্ধারা স্বেচ্ছায় তাদের স্থাপনা সরিয়ে নিলেও কতিপয় প্রভাবশালীদের আত্মীয় পরিজনের গুটি কয়েক বাড়ীঘরের আংশিক অপসারন না করায় থমকে গেছে কাঙ্ক্ষিত লৌহজং নদী উদ্ধার, দখল দূষন ও নাব্যতা ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া।এ বিষয়ে,সামাজিক সংগঠন নোঙর এর টাঙ্গাইল জেলা সভাপতি নূর মুহাম্মদ রাজ্য বলেন,মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের কাজ করতে এসে গুটিকয়েক স্বার্থান্বেষী ব্যক্তির রোষানলের কারনে প্রকল্পের গতি কমে গেছে। টাঙ্গাইল সদর উপজেলা প্রশাসন লৌহজং নদী দূষনমুক্ত দখল মুক্ত করনসহ নদীর দুইপাড়ে দৃ‌ষ্টি নন্দন রাস্তা নির্মাণে যে সহযোগিতা দিয়েছেন তা অকল্পনীয়। দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় জেলা প্রশাসনের কাছে আমরা যতটুকু আশা করেছিলাম, কতটুকু পাইনি। তাছাড়াও সুশীল সমাজের ধ্বজাধারি জনৈক সাংবাদিকের ভূমিকা আমাদের আহত করেছে।তিনি দুঃখ করে আরো বলেন,স্বাধীনতার মাসের প্রথম দিন রাজধানী হতে দুই সহস্রাধিক “বিডি ক্লিনের ও স্থানীয় একহাজার স্বেচ্ছাসেবী দুর্গন্ধযুক্ত নর্দমার কচুরিপানাসহ আবর্জনা পরিস্কার বিসয়টিকে নানা শ্রেণী পেশার মানুষের সাধুবাদ পেলেও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতির নিষেধাজ্ঞার কারনে গণমাধ্যমে ওই সংবাদ জোরালো প্রচার পায়নি। ওই সাংবাদিক নেতা নিজেই নদী দখল করে আছেন এবং তার নিকটাত্মীয়রাও লৌহজং নদীর অবৈধ দখলদার।লৌহজং নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনাসহ দখল দূষণমুক্ত করাসহ নদীর দুইপাড়ে দৃষ্টি নন্দন রাস্তা নির্মাণ করতে হলে প্রশাসনিক জন্জালসহ চিহ্নিত সাংবাদিক নেতার অদৃশ্য শক্তি দুরীভূত করার কোন বিকল্প নাই।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ দৈনিক দিগন্তর © বাজ এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।। Regi No-280138  
Theme Customized By Shakil IT Park