1. admin@dainikdigantor.com : admin :
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এমসিএসকে পরিদর্শনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী: ইনডোর সুইমিং পুল ও জিমনেশিয়াম নির্মাণের আশ্বাস বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈশার সুস্থতা কামনা রাতে ফোন বন্ধ বা সাইলেন্ট করবেননা, কারন গভীর রাতের ফোন হয় আপনাকে বাঁচানোর জন্য নয়তো অন্য কাউকে বাচানোর জন্য আসে! চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা সানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী খুলনা রূপসায় প্রতিপক্ষের হা”মলায় হাসান ওরফে বিহারীর মৃ”ত্যু স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ‘পরিদর্শন কক্ষ’ উদ্বোধন করলেন এমপি আমির এজাজ খান রংপুরে ভাত খাওয়ার জন্য ১০ হাজার টাকা ঘুষ নিলেন সিপাহি আল-আমিন! দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলছে বিটাক: কারিগরি শিক্ষায় আত্মনির্ভর বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদ ও নিন্দা বিবৃতি তালতলীতে রাতের আঁধারে যোগাযোগ সড়ক কেটে ফেলার অভিযোগ, দুর্ভোগে ১২ টি পরিবার

তালতলীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হাত ভেঙে দিলো শিক্ষক

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫

 

বরগুনা জেলা প্রতিনিধিঃ বরগুনার তালতলী উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া দারুসসুন্নাহ্ সিরাজুল হক মাষ্টার নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসা এতিমখানা ও লিল্লাহ্ বোডিংয়ে নূরানী শাখার ৮ বছরের শিশু এলমাকে পিটিয়ে হাত ভেঙে দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষক হাফেজ মোঃ রফিকুল ইসলাম (২০)। ১৯ নভেম্বর রাত সাড়ে ৭ টার সময় ওই মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর ২০২৫) আহত শিশুর বাবা সাংবাদিকদের কাছে বিচার চেয়ে এমন অভিযোগ করেন। জানা যায়, এলমার বিরুদ্ধে জুতা ফেলে দেওয়ার অভিযোগ করে এক শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় হাফেজ মোঃ রফিকুল ইসলাম অতিরঞ্জিত হয়ে শিশু এলমাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে ফুলা জখম করে। হাতের তালুতে সজোড়ে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেয়। পরিবার শিশুটিকে উদ্ধার করে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জানতে পারে হাতের আঙুল ফেটে গেছে। শিশু এলমা বলেন, আমি বলছি জুতা ফালাই নাই তারপরও আমাকে মারছে। আমি বমি করে দিছি। শিশুর বাবা নূর আলম বলেন, প্রচন্ড আঘাতে মেয়ের শরীর রক্তাক্ত হয়েছে। অতিরিক্ত মারধরের কারনে বমি ও প্রস্রাব করে দিয়েছে। আমি এর বিচার চাই। অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, জুতা ফেলার অভিযোগ পেয়ে ২ টা পিটান দিয়েছি পরে জানতে পারি এলমা ফালায় নায়, তাই যিনি মিথ্যা বলেছে তাকে ৩ টা পিটান দিয়েছি। পরে এলমার বাবা এসে আমাকে মারধর করেছে। তবে শিশু এলমার বাবা এবং স্থানীয়রা শিক্ষককে মারধরের বিষয়টি ভুয়া দাবি করছেন। প্রধান শিক্ষক মোঃ কাওসার বলেন, আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। ঘটনাটি শুনেছি আমরা স্থানীয়ভাবে মিমাংসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, এসকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকের একটি নীতিমালায় আনা দরকার। যাহাতে তারা জবাবদিহিতার আওতায় আসে। তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহ্ জালাল বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ দৈনিক দিগন্তর © বাজ এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।। Regi No-280138  
Theme Customized By Shakil IT Park