
আব্দুল্লাহ আল মোমিন পাবনা জেলা প্রতিনিধি।।পাবনার ভাঙ্গুড়া জোর পুর্বক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল করে অবৈধভাবে বসবাস, দখলে বাধা দেয়ায় মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদানের অভিযোগ উঠেছে ভুক্তভোগীর নিকট আত্মীয়দের বিরুদ্ধে।অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীর তিন খালা ও তাদের পরিবারের সদস্য।অনুসন্ধানে জানা যায়, ভুক্তভোগী এস এম নুরুজ্জামান রিমনের নানা রিয়াজ উদ্দিন ২৬ শে অক্টোবর ১৯৬৬ সালে ৬০৭৬ নং দলীল মুলে এসএ ৮৮০,৮৮২,৮৮২ দাগে যথাক্রমে ১৮,৩৫,২০ শতাংশ জমি ক্রয় করে। পরবর্তীতে ০৬ জুন ১৯৭২ সালে উক্ত জমি ৫৭০৯ নং দলীল মূলে তার স্ত্রী জরিনা খাতুন কে দান করে। জরিনা খাতুন তার দলীল মূলে পাওয়া সম্পত্তির খারিজ সম্পন্ন করেন যার নং -২২/৯১/৯২ ও তার দ্বিতীয় কন্যা রেনুকাকে দান করেন।এরপর রিয়াজ উদ্দিন হঠাৎ করে অসুস্থ হলে ও তার কোন ছেলে সন্তান না থাকায় তার যাবতীয় সম্পত্তি ৪ মেয়ের নামে দান করেন যার দলীল নং-৫৮৮ ও ১৭৪৯ তবে ভূলবসত এর মধ্যে তার স্ত্রীকে পূর্বে দান করা জমি অন্তর্ভুক্ত হয় ( যদিও এক জমি দুইবার দান করার বিধান নেই)।যেহেতু উল্লেখিত জমিগুলোর আর এস রেকর্ড (১১৯৩,১১৯৪ ও ১২০১) ভূলবসত জরিনা খাতুনের নামে না হয়ে তার স্বামী ও দানকারী রিয়াজ উদ্দিনের নাম হয়েছে তাই রিয়াজ উদ্দিন এর অন্যান্য মেয়েরা এই জমির মালিকানা দাবি করে। এমতাবস্থায় জরিনা খাতুন ও রেনুকা বেগম পরামর্শক্রমে আরএস রেকর্ড সংশোধনী মামলা করেন যার নং- ২৯/২০০৩ ও ডিগ্রীপ্রাপ্ত হন, হেবাকৃত নালিশী জমির দলীল বাদির উপর কার্যকর নয় মর্মে আদালত রায় প্রদান করেন।এতেও ক্ষ্যান্ত না হয়ে রিয়াজ উদ্দিন ও জরিনা খাতুনের বড় মেয়ে লুৎফুন্নেসার ছেলে লোকমান হোসেন বাদী হয়ে জরিনা খাতুনের খারিজ বাতিলের নিমিত্তে ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ( এসিল্যান্ড)’ আদালতে মিসকেস (যার নং-৩৮৪/২০৫-০৬, খতিয়ান নং-৪১৬) দায়ের করেন। পরবর্তীতে সাক্ষ্য প্রমাণাদি না থাকায় আদালত নামজারির আবেদন খারিজ করেন।আইনের মাধ্যমে সুবিধা করতে না পেরে অভিযুক্ত’রা বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তারা জোরপূর্বক উল্লেখিত জমির উপর থাকা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ঘর দখল করে যেখানে রয়েছে ব্যবসায়ীক মালামাল ও নিত্যব্যবহার্য আসবাবপত্র। দখল কাজে তাদের বাধা দেওয়ায় তারা ভুক্তভোগীর পুরো পরিবারকে মারধর করে। এমনকি রিয়াজ উদ্দিন ও জরিনা খাতুনের দ্বিতীয় মেয়ে রেনুকার একমাত্র সন্তান এস এম নুরুজ্জামান রিমন কে হত্যার হুমকি প্রদান করে। তাদের হুমকি ও নির্যাতনে ভুক্তভোগী পরিবার দিশেহারা হয়ে আইনের আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন।ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এস এম নুরুজ্জামান রিমন বলেন, এই জমিকে কেন্দ্র করে আমার পরিবারের উপর কয়েকবার হামলা হয়েছে। ওরা যেকোনো সময় আমাদের জানমালের ক্ষতি করতে পারে। আমি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করছি।