
পরিবেশের অন্যতম নীরব ঘাতক হলো শব্দ দূষণ। নগরায়ণ, যানবাহনের অপ্রয়োজনীয় হর্ন, উচ্চ শব্দে মাইক ও সাউন্ড সিস্টেমের ব্যবহার, নির্মাণকাজ এবং শিল্পকারখানার কারণে প্রতিনিয়ত শব্দের মাত্রা বেড়ে চলেছে। এর ফলে শুধু পরিবেশই নয়, মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সময় অতিরিক্ত শব্দের মধ্যে অবস্থান করলে শ্রবণশক্তি হ্রাস, উচ্চ রক্তচাপ, অনিদ্রা, মানসিক চাপ, হৃদরোগ এবং শিশুদের পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই একটি সুস্থ, নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এখন সময়ের দাবি।শব্দ দূষণ কমাতে আমাদের করণীয় হবে অপ্রয়োজনীয় ভাবে যানবাহনের হর্ন ব্যবহার থেকে বিরত থাকা।ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নির্ধারিত মাত্রার মধ্যে শব্দ ব্যবহার করা।আবাসিক এলাকায় উচ্চ শব্দে মাইক ও সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার না করা।শিল্প ও নির্মাণকাজে শব্দ নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি ব্যবহার করা।জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিদ্যমান আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা।বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ করে সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলা।আমাদের অঙ্গীকার“শব্দ দূষণ কমাই, পরিবেশ বাঁচাই।নীরবতা নয়, সচেতনতার মাধ্যমেই গড়ে উঠুক একটি সুস্থ, নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ।”পরিবেশ রক্ষা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়; এটি আমাদের সবার নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। আজকের ছোট ছোট সচেতনতাই আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর, শান্ত ও স্বাস্থ্যকর পৃথিবী উপহার দিতে পারে।
শাহবাজ খান
নির্বাহী পরিচালক
প্রমোট বাংলাদেশ