
ডেস্ক রিপোর্ট।। পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার ৭ নং বেতমোড় রাজপাড়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড এর পশ্চিম মিঠাখালী গ্রামের সালেহ আহমেদ হাওলাদারের (পিতা মৃত ইসমাইল হাওলাদার) ক্রয়কৃত সম্পত্তি রাতের অন্ধকারে ঘর তুলে জমি দখল করার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায় জব্বার হাওলাদার পিতা মৃত সত্তার হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে উক্ত জমি দখল নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে আসছিলো।সালেহ আহমেদ হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে খুলনায় স্থায়ীভাবে বসবাস করে আসছেন। বর্তমানে তার বড় ছেলে সাংবাদিক তাজউদ্দিন আহমেদ টুকু ৪বছর যাবৎ গ্রামের বাড়িতে স্থায়ী ভাবে বসবাস করে আসছেন এবং জব্বার হাওলাদারকে বাঁধা প্রদান করে আসছেন।তিনি জানান আমার বাবার রাস্তার পাশে মোট সারে ১৭ কাঠা জামি থেকে আমরা হাবিব হাওলাদারের কাছে ১১কাঠা জমি বিক্রয় করি ২০১৪ সালে। আমাদের সকল ধানিজমি হাবিব হাওলাদার ১৯৯৩ সাল থেকে চাষাবাদ করে আসছে।আমরা যখন তাদের কাছে জমি বিক্রি করি তখন তাদের কোন চৌহদ্দি দেইনি। অথচ হাবিব হাওলাদার ১১কাঠা জমি থেকে ৬কাঠা জমি জব্বার হাওলাদারে কাছে চৌহদ্দি দিয়ে বিক্রি করে। অপরদিকে হাবিব হাওলাদারকে আজ অব্দি ১১কাঠা জমি বুঝিয়ে দেওয়া হনি।হাবিব হাওলাদারের মৃত্যুর পরে গত বছর হাবিব হাওলাদারের পরিবারকে চাষাবাদ করতে নিষেধ করা হলে তার পরিবার ও জব্বার হাওলাদার তাদের ইচ্ছা মতো জমি দখল করতে গেলে প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদে লিখিত অভিযোগ কারা হয়।তারা সালিশ বৈঠককে উপেক্ষা করে জমি জবর দখল করতে গেলে মঠবাড়িয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। থানা পুলিশের উপস্থিতে বেতমোড় রাজপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এসএম রুম্মানের মাধ্যমে নিষ্পত্তির কথা বলা হয়।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে সালিশদার গন নির্বাচনের পরে উভয় পক্ষ সমাধানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।এদিকে গত ১লা ফেব্রুয়ারী সকালে জব্বার হাওলাদার ও হাবিব হাওলাদার গং লোকজন নিয়ে মাটি কাটা শুরু করে।বিষয়টি মঠবাড়িয়া থানা পুলিশকে অবহিত করা হলে পুলিশ ঘটনা স্থলে এসে তাদেরকে মাটিকাটা বন্ধ করে দেয় এবং থানায় আসতে বলে।বিকেলে পুনরায় আবার মাটি কাটা শুরু করলে পুলিশের বাঁধার মুখে বন্ধ করে।২ ফেব্রুয়ারী সকালে লোক মুখে জানাযায় সেখানে তারা রাতের অন্ধকারে ঘর তুলে জমি দখল করে নিয়েছে।এবিষয়ে জব্বার হাওলাদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন কথা বলতে রাজি হননি।অভিযোগ আছে তিনি এলাকায় বেশ কয়েকজনার সাথে একই ভাবে জমিজমা নিয়ে বিবাদ সৃষ্টি করে থাকেন।ভুক্তভোগী তাজউদ্দিন আহমেদ টুকু দৈনিক জবাবদিহির পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান আমি সাংবাদিক কোন জামেলা চাইনা”। সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।