1. admin@dainikdigantor.com : admin :
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এমসিএসকে পরিদর্শনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী: ইনডোর সুইমিং পুল ও জিমনেশিয়াম নির্মাণের আশ্বাস বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈশার সুস্থতা কামনা রাতে ফোন বন্ধ বা সাইলেন্ট করবেননা, কারন গভীর রাতের ফোন হয় আপনাকে বাঁচানোর জন্য নয়তো অন্য কাউকে বাচানোর জন্য আসে! চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা সানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী খুলনা রূপসায় প্রতিপক্ষের হা”মলায় হাসান ওরফে বিহারীর মৃ”ত্যু স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ‘পরিদর্শন কক্ষ’ উদ্বোধন করলেন এমপি আমির এজাজ খান রংপুরে ভাত খাওয়ার জন্য ১০ হাজার টাকা ঘুষ নিলেন সিপাহি আল-আমিন! দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলছে বিটাক: কারিগরি শিক্ষায় আত্মনির্ভর বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদ ও নিন্দা বিবৃতি তালতলীতে রাতের আঁধারে যোগাযোগ সড়ক কেটে ফেলার অভিযোগ, দুর্ভোগে ১২ টি পরিবার

রামপালে ঘূর্ণিঝড়ে মৎস্য খামারী মজনুর ব্যাপক ক্ষতি

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩ জুন, ২০২৪

 

এ এইচ নান্টু, বাগেরহাট প্রতিনিধি।।বাগেরহাটের রামপালে ঘূর্ণি ঝড় রেমালের জলোচ্ছ্বাস ভেসে গেছে মৎস্য খামারের কোটি টাকার কার্প ও চিংড়ির পোনা।সব হারিয়ে এখন পথে বসেছেন উপজেলার শ্রীরম্ভা গ্রামের শেখ ফারদিন মৎস্য খামারের মালিক মিজানুর রহমান মজনু।উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নসহ আশপাশের খামরগুলোতে কার্প জাতীয় মাছের পোনার বৃহৎ জোগান দেয়া হতো ওই ফারদিন মৎস্য খামার থেকে।সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গত ইং ২৬ মে ঘূর্ণি ঝড় রেমালের জলোচ্ছ্বাসে ভেসে গেছে রামপালের গৌরম্ভা ইউনিয়নের অধিকাংশ মৎস্য ঘের। বাড়ীঘর লণ্ডভণ্ড হওয়ার পাশাপাশি এ এলাকার একমাত্র আয়ের উৎস চিংড়ী খামার ভেসে যায়। শুধু তাই নয় খামারের বেড়ী বাঁধ স্রোতের তোড়ে বিলিন হয়ে যায়।বাদ যায়নি ফারদিনের বেড়ী বাঁধও।খামারের দেখভাল করা রিক্তা বেগম জানান, অনেক চড়াই উতরাই পেরিয়ে ধারদেনা করে খামারে প্রায় ৬০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছেন মালিক মিজানুর রহমান মজনু।কয়েক বছরের প্রচেষ্টায় তিনি খামারটি গড়ে তোলেন। ছোট ধানিপোনা কিনে এনে তা খামারে রেখে খাবার দিয়ে বড় করা হয়। এ জন্য সকল প্রকার নিয়ম মেনে নিরাপদ প্রক্রিয়ায় অক্সিজেন ও খাবার দেয়া হয়।রিক্তা বেগম আরো জানান, রুই, কাতল, মৃগেল ও কালিবাউস মাছ ১০/১২ টায় কেজি হলে তা অন্য খামারিদের মাঝে সরবরাহ করা হয়।কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই হটাৎ করে রেমাল আঘাত হানে। সারা বছরের স্বপ্ন ভেসে পানিতে মিশে যায়। সব থেকে বেশী সমস্যা তৈরি হয় তীব্র লবণাক্ত পানি প্রবেশ করে। অবশিষ্ট মাছে মরে সব ভেসে ওঠে।সরোজমিনে সাংবাদিকরা গিয়ে মৃত মাছের সমাধি ও মরা মাছ ভেসে ওঠার দৃশ্য দেখতে পান।এ সময় খামারি মজনুর স্ত্রী রিক্তা কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, কি করে আমরা বেচে থাকবো ? আমরা সন্তান মরা শোকে পড়েছি।সন্তানের মত মাছেদের খাবার দিতাম। আমার স্বামী ভয়ে এখানে আসছেন না, এলে তিনি স্ট্রোক করবেন।এমন অবস্থা হয়েছে যে বেড়ী বাঁধ দিয়ে নতুন করে পোনা ছাড়ারও সুযোগ নেই। তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগীতা কামনা করেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ দৈনিক দিগন্তর © বাজ এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।। Regi No-280138  
Theme Customized By Shakil IT Park