1. admin@dainikdigantor.com : admin :
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এমসিএসকে পরিদর্শনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী: ইনডোর সুইমিং পুল ও জিমনেশিয়াম নির্মাণের আশ্বাস বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈশার সুস্থতা কামনা রাতে ফোন বন্ধ বা সাইলেন্ট করবেননা, কারন গভীর রাতের ফোন হয় আপনাকে বাঁচানোর জন্য নয়তো অন্য কাউকে বাচানোর জন্য আসে! চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা সানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী খুলনা রূপসায় প্রতিপক্ষের হা”মলায় হাসান ওরফে বিহারীর মৃ”ত্যু স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ‘পরিদর্শন কক্ষ’ উদ্বোধন করলেন এমপি আমির এজাজ খান রংপুরে ভাত খাওয়ার জন্য ১০ হাজার টাকা ঘুষ নিলেন সিপাহি আল-আমিন! দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলছে বিটাক: কারিগরি শিক্ষায় আত্মনির্ভর বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদ ও নিন্দা বিবৃতি তালতলীতে রাতের আঁধারে যোগাযোগ সড়ক কেটে ফেলার অভিযোগ, দুর্ভোগে ১২ টি পরিবার

নড়াইলে একই মায়ের গর্ভে ভূমিষ্ট হলো ৭ সন্তান ! বাঁচানো গেলো না একটি নবজাতককেও

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬

 

মোঃ আক্তার হোসেন বাবলু।।একই মায়ের গর্ভে ভূমিষ্ট হলো সাতটি সন্তান! এর মধ্যে চারটি ছেলে ও তিনটি মেয়ে সন্তান। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। তবে, সাতটি সন্তানের মধ্যে কোনো নবজাতককেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি নড়াইল সদর উপজেলার মাইজপাড়া ইউনিয়নের কালুখালী গ্রামের।সূত্রে জানা যায় এই গ্রামের ইজিবাইক চালক মহসিন মোল্যা ও গৃহবধূ সালমা দম্পতির ঘর আলো করে সাতটি সন্তানের জন্ম হয়। বিয়ের ১০ বছর পর তারা সন্তানের মুখ দেখেন। আল্ট্রাসোনোগ্রাফিতে ছয়জন সন্তানের রিপোর্ট আসলেও বাস্তবে সাতটি সন্তান ভূমিষ্ট হয়েছে। তবে, কাউকেই বাঁচানো যায়নি। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বেলা ১১টার দিকে নবজাতক সাতটি সন্তানকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে যশোরের একটি হাসপাতালে প্রথমে দুইটি সন্তান ভূমিষ্ট হয়। পরদিন বুধবার রাতে একে একে পাঁচটি সন্তান প্রসব হয়। তবে, কাউকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। নির্দিষ্ট সময়ের আগে প্রায় সাড়ে পাঁচ মাসের মধ্যে সন্তানগুলো ভূমিষ্ট হয়েছে বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। নবজাতক সন্তানদের মা সালমা বেগম যশোরে চিকিৎসাধীন আছেন।নবজাতকদের দাদী মঞ্জুরা খাতুন জানান, গত সোমবার রাতে তার ছেলের বউয়ের প্রসব বেদনা উঠলে বাড়ি থেকে যশোর নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে যাওয়ার পর সন্তানগুলোর জন্ম হয়।দাদা আব্দুল লতিফ মোল্যা বলেন, আমার ছেলে সৌদিআরবে থাকত। তিন বছর আগে দেশে এসে ইজিবাইক চালায়। তাদের বিয়ের ১০ বছর পর এবার সন্তানের মুখ দেখার অপেক্ষায় প্রহর গুণছিলাম সবাই। কিন্তু, সাতটি সন্তানের জন্ম হলেও তাদের বাঁচানো গেলো না। এ কষ্ট রাখব কোথায় ?

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ দৈনিক দিগন্তর © বাজ এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।। Regi No-280138  
Theme Customized By Shakil IT Park