1. admin@dainikdigantor.com : admin :
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০২:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এমসিএসকে পরিদর্শনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী: ইনডোর সুইমিং পুল ও জিমনেশিয়াম নির্মাণের আশ্বাস বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈশার সুস্থতা কামনা রাতে ফোন বন্ধ বা সাইলেন্ট করবেননা, কারন গভীর রাতের ফোন হয় আপনাকে বাঁচানোর জন্য নয়তো অন্য কাউকে বাচানোর জন্য আসে! চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা সানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী খুলনা রূপসায় প্রতিপক্ষের হা”মলায় হাসান ওরফে বিহারীর মৃ”ত্যু স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ‘পরিদর্শন কক্ষ’ উদ্বোধন করলেন এমপি আমির এজাজ খান রংপুরে ভাত খাওয়ার জন্য ১০ হাজার টাকা ঘুষ নিলেন সিপাহি আল-আমিন! দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলছে বিটাক: কারিগরি শিক্ষায় আত্মনির্ভর বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদ ও নিন্দা বিবৃতি তালতলীতে রাতের আঁধারে যোগাযোগ সড়ক কেটে ফেলার অভিযোগ, দুর্ভোগে ১২ টি পরিবার

দ্বিমুখী নীতির অন্ধকার—সমাজের জন্য নীরব হুমকি

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

 

বর্তমান সমাজে এক শ্রেণির মানুষের উপস্থিতি ক্রমশ দৃশ্যমান হয়ে উঠছে, যারা বাহ্যিকভাবে নীতিবান ও সদাচারী হিসেবে নিজেদের উপস্থাপন করলেও অন্তরে লালন করে সম্পূর্ণ ভিন্ন মনোভাব। এদের দ্বিমুখী নীতি শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্ককেই নষ্ট করছে না, বরং সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্যও এক গভীর হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের মানুষরা প্রায়শই নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য অবস্থান বদলাতে দ্বিধা করে না। তারা পরিস্থিতি অনুযায়ী রং পরিবর্তন করে, ঠিক যেন বিষধর সাপ—নীরবে আঘাত হানার জন্য সদা প্রস্তুত। তাদের মধ্যে অনুশোচনা বা দায়বদ্ধতার বোধ থাকে না বললেই চলে। ফলে, এদের আচরণে সমাজে অবিশ্বাস ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়।সমাজবিজ্ঞানীরা আরও বলেন, এই শ্রেণির মানুষদের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো—নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে অনিশ্চয়তা। তারা কখনোই দৃঢ়ভাবে কোনো নীতি বা আদর্শে স্থির থাকে না। ফলে, তাদের ব্যক্তিত্ব গঠনে দেখা যায় শূন্যতা, যা তাদেরকে সহজেই স্বার্থান্বেষী আচরণের দিকে ঠেলে দেয়।অন্যদিকে, এমন মানুষও রয়েছেন যারা নিজের স্বার্থের জন্য শত্রুকেও বন্ধুর মতো গ্রহণ করতে দ্বিধা করেন না। তারা প্রয়োজনে শত্রুর গলায় মালা পরিয়ে দেয়, কিন্তু সেই বন্ধুত্বে থাকে না আন্তরিকতা বা বিশ্বাস। এই ধরনের সম্পর্ককে অনেকেই ‘বসন্তের কোকিল’-এর সঙ্গে তুলনা করেন—যারা শুধু সুবিধামতো সময়েই উপস্থিত হয়।সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে সমাজের জন্য ক্ষতিকর। কারণ, এটি মানুষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা কমিয়ে দেয় এবং সুস্থ সামাজিক সম্পর্কের ভিত্তিকে দুর্বল করে তোলে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম যদি এই আচরণকে অনুসরণ করতে শুরু করে, তবে তা ভবিষ্যৎ সমাজের জন্য আরও বড় সংকট তৈরি করতে পারে।এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নৈতিক শিক্ষার ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা মনে করেন, ব্যক্তিগত সততা, নীতি ও দায়বদ্ধতার চর্চাই পারে এই দ্বিমুখী প্রবণতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে।সবশেষে বলা যায়, সমাজকে সুস্থ ও স্থিতিশীল রাখতে হলে এই ধরনের দ্বিমুখী আচরণের বিরুদ্ধে সচেতন থাকা জরুরি। কারণ, যারা নিজেদের স্বার্থের জন্য নীতি বদলাতে দ্বিধা করে না, তারা কখনোই প্রকৃত বন্ধু বা বিশ্বস্ত সহচর হতে পারে না—বরং তারা সমাজের অকল্যাণেরই কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
শাহবাজ জামান
সাংবাদিক মানবাধিকার কর্মী ও সংগঠক

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ দৈনিক দিগন্তর © বাজ এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।। Regi No-280138  
Theme Customized By Shakil IT Park