
খুলনা সংবাদপত্র পরিষদ এক যুক্ত বিবৃতিতে পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক খুলনাঞ্চলের সম্পাদক মিজানুর রহমান মিলটনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতিক সময়ে একটি কুচক্রী মহল নানাভাবে অপপ্রচারে তীব্র নিন্দা ও দোষীদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক শাস্তি দাবি করেছেন।মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) প্রদত্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, একজন পেশাদার সাংবাদিকের সাথে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীপেশা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ মানুষের সাথে বিভিন্ন সময়ে মতবিনিময়সহ নানা বিষয়ে চিত্র থাকবে এটাই স্বাভাবিক। চিত্রের সাথে যেসব সংলাপ জুড়ে দেওয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ মনগড়া ও অসৎ উদ্দেশ্য এবং হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য। একটি পত্রিকার সম্পাদকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এসব অপরাধ কর্মকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত তাদেরকে খুঁজে বের করে আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনে সংবাদপত্রের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে কখনো গণতন্ত্র সুসংহত হতে পারে না।দৈনিক খুলনাঞ্চল পত্রিকা তার সময়কালীন দীর্ঘ এক দশকে পত্রিকার অগণিত পাঠককে বঞ্চিত করে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছে।পত্রিকাটি বন্ধ করে দেওয়ার নানা ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। কিন্তু কখনো খুলনাঞ্চল পত্রিকাটি সত্য ও ন্যায়ের কাছে মাথা নত করেনি।দুঃখজনক হলেও সত্যি এই সময়ে প্রভাবশালী ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল, আমলা, মাদক কারবারী, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অগণিত সংবাদ প্রকাশ পেলেও এমন ধরণের হুমকি, অপপ্রচার, কণ্ঠরোধ করার মতো অপচেষ্টার শিকার হয়নি।পত্রিকাটি জন্মলগ্ন থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে অবিচল থেকেছে। একই সঙ্গে সাম্প্রদায়িকতা, দুর্নীতি, মাদক কারবার, অনিয়ম, সকল প্রকার নির্যাতন-নিপীড়ন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে কথা বলেছে। দীর্ঘ ফ্যাসিজমমুক্ত বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে একটি সংবাদকে কেন্দ্র করে এ ধরণের আক্রমন ও হুমকি বোধকরি সাধারণ মানুষের ‘মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যমে’র প্রত্যাশাকে ভুলুণ্ঠিত করছে।খুলনা সংবাদপত্র পরিষদ অনতিবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।