1. admin@dainikdigantor.com : admin :
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০২:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এমসিএসকে পরিদর্শনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী: ইনডোর সুইমিং পুল ও জিমনেশিয়াম নির্মাণের আশ্বাস বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈশার সুস্থতা কামনা রাতে ফোন বন্ধ বা সাইলেন্ট করবেননা, কারন গভীর রাতের ফোন হয় আপনাকে বাঁচানোর জন্য নয়তো অন্য কাউকে বাচানোর জন্য আসে! চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা সানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী খুলনা রূপসায় প্রতিপক্ষের হা”মলায় হাসান ওরফে বিহারীর মৃ”ত্যু স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ‘পরিদর্শন কক্ষ’ উদ্বোধন করলেন এমপি আমির এজাজ খান রংপুরে ভাত খাওয়ার জন্য ১০ হাজার টাকা ঘুষ নিলেন সিপাহি আল-আমিন! দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলছে বিটাক: কারিগরি শিক্ষায় আত্মনির্ভর বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদ ও নিন্দা বিবৃতি তালতলীতে রাতের আঁধারে যোগাযোগ সড়ক কেটে ফেলার অভিযোগ, দুর্ভোগে ১২ টি পরিবার

খুলনা জোড়াগেট পশুর হাট থেকেই কেসিসির আয় ২ কোটি টাকা

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৮ জুন, ২০২৫

 

খুলনা প্রতিনিধি।। খুলনা জোড়াগেট কোরবানি পশুর হাটে এবার সাত দিনে ছয় হাজার ৬৫১টি পশু বিক্রি হয়েছে। সেখান থেকে হাসিল হিসেবে খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) দুই কোটি সাত লাখ টাকা আয় করেছে। ২০২৪ সালে ৬২২৭টি পশু বিক্রি করে আয় ছিল দুই কোটি ২৫ লাখ টাকা। সে সময় পাঁচ শতাংশ হারে হাসিল আদায় করা হতো। এ বছর এক শতাংশ কমিয়ে চার শতাংশ হারে হাসিল আদায় করা হয়েছে। ফলে ২৪টি পশু বিক্রি বাড়লে আয় গত বছরের চেয়ে ১৮ লাখ টাকা কমেছে।২০২৩ সালে ছয় হাজার ২০টি পশু বিক্রি থেকে আয় হয়েছিল দুই কোটি ২১ লাখ চার হাজার ৯৬২ টাকা। ২০২২ সালে সাত দিনে ছয় হাজার ৭৬০টি পশু বিক্রি থেকে আয় ছিল দুই কোটি ২৫ লাখ ৬০ হাজার ৭৪৫ টাকা। কেসিসি পরিচালিত এ হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সব সুযোগ সুবিধা বিদ্যমান ছিল। তবে ২০২৩ সালের চেয়ে ২০২৪ সালে ২০৭টি পশু বিক্রি বেশি হয়েছিল। আর হাসিল আদায় চার লাখ টাকা বেড়েছিল। ২০২০ সালে পাঁচ দিনে ছয় হাজার ১৬৯টি পশু বিক্রি থেকে হাসিল আদায় ছিল এক কোটি ৬৪ লাখ ৭৭ হাজার টাকা।করোনা মহামারির কারণে ২০১৯ সালের চেয়ে ২০২০ সালে এক হাজার ৬৩৬টি পশু বিক্রি কম হয়েছিল। আর হাসিল আদায় কমেছিল ৪৪ লাখ টাকা। ২০১৮ সালের চেয়ে ২০১৯ সালে ৭৭৩টি পশু বিক্রি বেড়ে হাসিল আদায় বেড়েছিল ৪২ লাখ ৭৪ হাজার টাকা।কেসিসির কোরবানির পশুর হাটের সুপারভাইজার প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হাটে বেচাকেনা শেষ দুই দিনেই বাড়ে। কিন্তু এ বছর শেষ দুই দিনই আবহাওয়া ভালো ছিল না। ফলে কোরবানির পশু বেচাকেনায় সমস্যা হয়। তারপরও গত বছরের চেয়ে পশু বিক্রি বেড়েছে। কিন্তু হাসিল এক শতাংশ কমিয়ে দেওয়ার কারণে হাটে আয় গত বছরের তুলনায় কমেছে। কিন্তু প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে।তিনি বলেন, গত ১ জুন থেকে এ হাটে বেচা বিক্রি শুরু হয়। ঈদের দিন শনিবার (৭ জুন) সকালে ৬টায় এ হাটে বেচাকেনা শেষ করা হয়।এ সময়ের মধ্যে হাটে ছয় হাজার ৬৫১টি পশু বিক্রি হয়। এর মধ্যে রয়েছে চার হাজার ৩৮৩টি গরু, দুই হাজার ১৬২টি ছাগল, ১০৩টি ভেড়া ও তিনটি মহিষ। এ থেকে কেসিসি হাসিল হিসেবে পেয়েছে দুই কোটি সাত লাখ ৯ হাজার ৬০২ টাকা।উল্লেখ্য, কোরবানির পশুর কেনাবেচার জন্য প্রতি বছর নগরীর জোড়াগেট পাইকারি কাঁচা বাজারে পশুর হাট বসায় কেসিসি। আগে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হাট পরিচালনা করতো। ২০০৯ সালে এ হাট থেকে কেসিসির আয় ছিল ৪৭ লাখ টাকা। ২০১১ সাল থেকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় হাট পরিচালনার উদ্যোগ নেয় কেসিসি। সেই থেকে এ হাটের মাধ্যমে কোটি টাকার রাজস্ব আয় করছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ দৈনিক দিগন্তর © বাজ এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।। Regi No-280138  
Theme Customized By Shakil IT Park