1. admin@dainikdigantor.com : admin :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খুলনায় লায়ন্স ক্লাবের ‘অক্টোবর সার্ভিস মাস’ উপলক্ষে এতিম শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ বক্স কালভার্টে বাঁশ ব্যবহার করায় টাঙ্গাইল পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার ও ঠিকাদারকে শোকজ : প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্ত কমিটি তিন কোটি টাকার প্রকল্পে নদী পরিষ্কারের কাজ বন্ধ, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর ফরাজি কে ঘিরে অপপ্রচার, তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষোভ অসহায়, দরিদ্র ও দুঃস্থ মানুষের সেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান : লায়ন শেখ মোস্তাফিজুর রহমান দুর্গোৎসবের মহাসপ্তমী আজ বেতাগীতে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে শিক্ষকের চিকিৎসা চেম্বার, শিক্ষার্থী শূন্য মাদ্রাসা  নির্বাচনের পর প্রথম খুলনা আসছেন প্রধানমন্ত্রী বরগুনায় অফিস সহায়ক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ১০ জনের মৃত্যু

খুলনায় হার্ট ফাউন্ডেশনে: এমডির তালা, কর্মচারীরা তালা ভেঙে হাসপাতালে প্রবেশ

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫

 

খুলনা প্রতিনিধি।।খুলনার হার্ট ফাউন্ডেশন এন্ড ইনটেনসিভ কেয়ার সেন্টারে চরম অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রথম পক্ষ, ডাক্তার এস. এম. আব্দুস শামীম এর নিকট হতে দ্বিতীয় পক্ষ—নাজমুল হোসেন এবং মিজানুর রহমান মানিক ক্লিনিকটির অচল অবস্থা দূর করনে ১ বছরের লিজ নেন।কিন্তু সেই চুক্তি রক্ষা না করেই ডাক্তার শামীম গত ৪ আগস্ট ২০২৫ হাসপাতালের ফটকে খামখেয়ালী তালা ঝুলিয়ে দেন এবং ঘোষণা করেন, তিনি হাসপাতালটি আর চালাবেন না।আর এ কারণেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে লিজ নেওয়া দ্বিতীয় পক্ষ অর্থাৎ ক্লিনিক টির সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।আজ (বৃহস্পতিবার) দ্বিতীয় পক্ষ নাজমুল হোসেন ও মিজানুর রহমান মানিক এর নেতৃত্বে হাসপাতালটির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা হাসপাতালের সামনের ফটকের তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীগন।তাদের বক্তব্য তারা গত ২ মাস ধরে বেতন পাননি এবং বকেয়া বেতন পরিশোধ ও হাসপাতাল কার্যক্রম পুনরায় চালুর দাবি জানান।নার্স শিরিন আক্তার বলেন, আমরা দীর্ঘ ২ মাস বেতন পাইনি।পরিবার ও সন্তানদের দেখাশোনা করা কঠিন হয়ে গেছে। হাসপাতালের কার্যক্রম পুনরায় চালু সহ আমাদের বকেয়া বেতন দ্রুত দিতে হবে।”কর্মচারী রাশেদ মোল্লা বলেন, “হাসপাতাল বন্ধ থাকায় আমরা কাজ করতে পারছি না। আমরা চাই হাসপাতাল পুনরায় চালু হোক এবং বেতন পরিশোধ করা হোক।”এ বিষয়ে ডাক্তার এস. এম. আব্দুস শামীম বলেন,“দ্বিতীয় পক্ষের সঙ্গে একটি চুক্তি হয়েছিলো এটা সঠিক কিন্তু চুক্তিতে যে শর্তগুলো উল্লেখ ছিল তারা তা শতভাগ না মানায় আমি হাসপাতালটি বন্ধ করে দেই। বিষয়টি সোনাডাঙ্গা থানা অবগত আছেন বলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন। খুব শীঘ্রই বিবদমান এই পরিস্থিতি মীমাংসা হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।দ্বিতীয় পক্ষের প্রতিনিধি নাজমুল হোসেন বলেন, “আমরা হাসপাতালের কার্যক্রম চালু রাখার জন্য এখানে এসেছি। দীর্ঘদিন বেতন না পাওয়ায় কর্মীরা চরম অসন্তোষে রয়েছেন।আমরা চাই বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হোক এবং হাসপাতাল খোলা থাকুক।অপূর্ব প্রতিনিধি ”মিজানুর রহমান মানিক বলেন ডা: এম এম আব্দুস শামীম সাহেবের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী আমরা এখনো ১১ মাস ক্লিনিক পরিচালনা করার ইখতিয়ার রাখি, “কর্মচারীদের বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং হাসপাতালের কার্যক্রম পুনরায় চালু করাই আমাদের প্রধান দাবি।আমরা দায়িত্বের সঙ্গে হাসপাতাল পরিচালনা করতে প্রস্তুত।

 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ দৈনিক দিগন্তর © বাজ এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।। Regi No-280138  
Theme Customized By Shakil IT Park