
স্টাফ রিপোর্টার।। বাংলাদেশের মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) ও এর অধীন তিন হিসাব সার্কেল সিজিএ, সিজিডিএফ, রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অর্থ) এবং ১৭টি অডিট অধিদপ্তরের অডিটররা অডিটর পদে দুই ধরণের বেতন-বৈষম্য নিরসন ও ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবীতে সারাদেশে কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।তার অংশ হিসেবে খুলনায় (বুধবার) ডিসিএ খুলনা কার্যালয়সহ সকল জেলা-উপজেলায় কর্ম বিরতি পালন করা হচ্ছে।অডিটরদের ১০ম গ্রেডের দাবীর বিষয়টি সম্পূর্ণ নতুন নয়; ২৩/১২/২০১৮খ্রি: তারিখ থেকে ৬১ জনকে হাইকোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতে যাঁরা রিট মামলার পক্ষভুক্ত হয়েছিলেন শুধুমাত্র তাদেরকে ১০ম গ্রেডে বেতন দেওয়া হয়। বাকিরা এখনো ১১তম গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন। পূর্ববর্তী স্বৈরচারী সরকারের আমলাগণ তাদের স্বভাবগত স্বৈরাচারী আচরণের জন্য বৈধ দাবী হওয়া সত্ত্বেও, বাস্তবায়ন করতে দেননি।অডিটর সম পর্যায় যেমন: সাব-রেজিস্টার, সমাজ সেবা অফিসার, পিটিআই ইন্সট্রাক্টরসহ আরও বিভিন্ন দপ্তরের পদগুলো বর্তমানে ৯ম গ্রেডভুক্ত গেজেটেড পদ হিসেবে বেতন-ভাতা পচ্ছেন। কিন্তু অডিটর পদটি ১০ম গ্রেড ভুক্তিতে এত জটিলতা সৃষ্টি রহস্যজনক। অডিটরের নিম্নে অবস্থান পদ যেমন: উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে ৯ম গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন; কিন্তু অডিটর পদের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম।সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৮ অনুসারে সুপ্রীমকোর্ট কোনো বিষয়ে রায় দিলে (রীট পিটিশন, আপীল এবং রিভিউ সংক্রান্ত সকল প্রক্রিয়া শেষে) অনুরূপ ক্ষেত্রে উক্ত রায় বাস্তবায়নের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।সিএজি কার্যালয় ও এর অধীন দপ্তরগুলোর অডিটর পদের বেতন গ্রেড ১১তম থেকে দশম গ্রেডে উন্নীত করার জন্য সিএজি দপ্তর হতে যে চিঠি অর্থ মন্ত্রণালয় প্রেরণ করা হয়েছে উক্ত চিঠিতে আইন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এ বিষয়ে দশম গ্রেডের পক্ষে মতামত দিয়েছেন।কিন্তু অদৃশ্য কারণে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যয় বাবস্থাপনা বিভাগ সেটি বাস্তবায়ন করছে না।এই রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাব।