নিজস্ব প্রতিবেদক।।পাওনা টাকা গ্রহণ করে মিথ্যা মামলা দিয়ে এক ব্যবসায়িকে হয়রানী করার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।কামাল তালুকদার নামে জনৈক ঐ ব্যাক্তি মো: দুলাল হোসেনের সঙ্গে এমন প্রতারনা ও বিশ্বাস ভঙ্গের কাজ করেছেন বলে জানাগেছে।ভূক্তভোগী দুলাল হোসেনের লিখিত অভিযোগে জানাযায় ব্যবসায়িক প্রয়োজনে মো: কামাল তালুকদারের নিকট হইতে তিনি মাসিক দুই লক্ষ টাকা ইন্টারেস্টে ২৩ লক্ষ টাকা গ্রহন করেন।সেই সময় তাকে সিকিউরিটি বাবদ তার নিকট একটি ব্লাঙ্ক চেক জমা রাখেন।পরে গত ২১/৭/২০১৯ ইং তারিখে দুলাল হোসেনের বিরুদ্ধে কামাল তালুকদার ওই চেক এর বিপরীতে খুলনার আদালতে চেক ডিজঅনারের একটি মামলা দায়ের করেন,যার নম্বর সি আর ৭৭৬/১৯,দায়রা-৭২০/২০,ধারা এনআইএক্টের-১৩৮।ঐ মামলায় দুলাল হোসেন আদালত থেকে জামিন নেন এবং বাদীর সাথে আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ৩৭৭, খানজাহান আলী রোডস্থ খাদিজা এন্টারপ্রাইজে বসে টাকা পরিশোধ করেন। যা উভয় স্বাক্ষী গনের উপস্থিতিতে মানি রশিদের মাধ্যমে গ্রহন করা হয়।এ বিযয়ে ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্টাম্পে গত ৮/০১/২০২৪ইং তারিখে কামাল তালুকদার মামলা উঠিয়ে নিবেন মর্মে সাক্ষী গণের সম্মুখে স্বাক্ষর করলেও গত এক বছরেও তিনি আদালত থেকে উক্ত মামলা না উঠিয়ে তালবাহানা করতে থাকেন।পরবর্তীতে এক প্রকার বাধ্য হয়েই প্রতারণা ও বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগ এনে গত ১৮/১২/২০২৪ ইং তারিখে দুলাল হোসেন-কামাল তালুকদারের বিরুদ্ধে ৪০৬/৪২০/৫০৬ দ:বি: ধারায় খুলনার বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।এই বিষয়ে কামাল তালুকদারের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন তাই এই ব্যাপারে কোন কথা বলতে চাই না।তিনি উল্টো অভিযোগ করে বলেন দুলাল হোসেন আমাকে কোন টাকা পরিশোধ করেনি।স্ট্যাম্পে এগ্রিমেন্ট ও টাকা গ্রহণের ভাউচারের বিষয়টি তিনি বানানো ও জাল বলে মন্তব্য করেন।এদিকে এই বিষয়ে সাক্ষীদের সঙ্গে কথা হলে দুলাল হোসেনের অভিযোগের সততা পাওয়া যায়।অপরদিকে কামাল তালুকদার দুলাল হোসেনের নিকট ঘেকে পাওনা টাকা গ্রহন করেও অস্বীকার করাকে ভণ্ডামি বলছেন।তাদের অভিযোগ এক সময়কার খুলনার ত্রাশ এরশাদ শিকদারের একান্ত সহযোগী নূর আলমের আপোন চাচাতে ভাই এই কামাল।কথিত আছে সে এরশাদ শিকদারের ভাত টানতো।অত্যন্ত দরিদ্র ঘরের সন্তান হয়েও সে কি ভাবে এত অল্প সময়ে কোটিপ্রতি হলেন এ প্রশ্ন এখন সকলের।আলতাফ হোসেন নামে এক ব্যাক্তি বলেন তার মূল কাজ হলো ব্যবসায়ীদের মাঝে টাকা সুধে লাগানো এবং মামলা দিয়ে হয়রানি করা।এটা তার একপ্রকার ব্যবসা।ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী সরকারের দোসর হয়ে ঘাট এলাকায় চুরি ও শেখ বাড়ির ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে সে ধরাকে সরা জ্ঞান করতো। দুদক ও সেনাবাহিনীদ্বারা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে থলের বেড়াল এমনটাই জানিয়েছেন এলাকাবাসী।