মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি।।মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান (সদর উজেলা আওয়ামী-লীগের সভাপতি) মোঃ ইস্রাফিল হোসেনের বাড়ির কেয়ারটেকার রুবেল মিয়া ওরফে বদুর অন্যায় দাপটে অতিষ্ঠ হয়ে গ্রামবাসী তার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন করেছেন।রোববার (১০ নভেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার দিঘী ইউনিয়নের চান্দরা ও স্বল্প হাতকোড়া এলাকাবাসীর আয়োজনে, স্বল্প হাতকোড়া গ্রামে ঘন্টাব্যপি শতাধিক মানুষ এই মানববন্ধ করেন।অভিযোক্ত রুবেল মিয়া ওরফে বদুর বাড়ি মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার স্বল্প হাতকোড়ার গ্রামের ময়ূর আলীর ছেলে।এসময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেনে, গ্রামের মাতাব্বর আলী হোসেন, সাবেক সেনা সদস্য মোঃ আমজাদ হোসেন, গ্রাম বাসী সামসুর রহমান, রিদয় মিয়া, কাসেম, মুলি বেগম, বাচ্চু মিয়া প্রমুখ।আমজাদ হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগে ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় রুবেল মিয়ার ক্ষমতার জোরে আমাদের পরিবারের ৫২ শতাংশ জমির ওপর দিয়ে যাতায়াতের জন্য রাস্তা নির্মাণের করার মাটি ফেলে। সেসময় তাদেরকে বাঁধা দিলে, তারা আমাদের উপর হামলা চালায়। সম্প্রতি আমাদের জমির উপর রাস্তার তৈরির জন্য ভেকু দিয়ে আবার মাটি কাটে। পরে এলাকার সমন্বয়ে বাঁধা দেই এবং থানায় লিখিত অভিযোগ করি। কিন্তু তিনি এখন বিএনপির লোকজনের সঙ্গে টাকা খরচ করে মিলেগেছে। এখন আবার আগের অপরাধে কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়েছে বদু।শামসুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের শাসন আমলে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রুবেল মিয়া ক্ষমতার দাপটের অবৈধভাবে মানুষের জমি দখল, মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটানোসহ চাকুরী দেওয়ার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিছেন। আওয়ামী লীগ পতনের পরও তার ক্ষমতার দাপট কমেনি। তিনি আগে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে অপকর্ম করতেন। আর এখন তিনি বিএনপির লোকজনের সাথে আতাৎ করে এসব অপকর্ম করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার জন্য থানা পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলার বাহিনীর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।এবিষয়ে অভিযুক্ত রুবেল মিয়া জানান, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে তাদের সাথে মিলেমিলে কাজ করেছি। কারন আমি পেটের জন্য কাজ করে থাকি। আমার বিরুদ্ধে সব মিথ্যা কথা, আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত চলছে। তবে আমার বাড়িতে যাতায়াতের জন্য খাস জমিতে রাস্তার নির্মাণের জন্য ভেকু নামিয়েছিলাম। কিন্তু মানুষের চাপের মুখে ভেকু উঠিয়ে নিয়ে যাই।মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি এস.এম আমান উল্লাহ জানান, অভিযোগের তদন্ত চলছে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।