অর্থনীতিখেলার মাঠেজাতীয়প্রযুক্তিরুপসী বাংলালাইফস্টাইলশিক্ষাঙ্গনসীমানা পেরিয়ে

বরগুনার তালতলীতে পুকুরের মাছ ধরে নেয়ায় ইউপি সদস্যসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

এসএম আবুল হাসান | নিজস্ব প্রতিবেদক | বরগুনার তালতলীতে (সরকারি খাস) পুকুরের মাছ ধরে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে উক্ত এলাকার ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সহকারি ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) মো:জসিম উদ্দিন বাদী হয়ে তালতলী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

উপজেলার ৩নং কড়ইবারিয়া ইউনিয়নের ৯নং পশ্চিম ঝাড়াখালী এলাকায় এমন ঘটনা ঘটে।

অনুসন্ধান শেষে জানা গেছে, ২০১৬/১৭ অর্থ বছরে এ পুকুরটি সিসিএপি আওতায় সরকারি অর্থায়নে সংস্করসহ মাছের পোনা ফেলানো হয়। কিন্তু ইউপি সদস্য জলিল রাঁড়ী আইনের তোয়াক্কা না করে ছোট বড় সব মাছ ধরে নেয়। সহকারি ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে ঘটনার সত্যতা পেয়ে মাছ লুটকারী ৮ জনের বিরুদ্ধে পেনালকোডে ৪৪৭/৩৭৯ ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং জি আর ৫৮/২১।

আসামিগনের নাম ও ঠিকানা, (১) মো.জলিল রাঁড়ী ইউপি সদস্য ৯নং ওয়ার্ড। (২) মো.সালাম ঘরামী পিতা: হাতেমালী ঘরামী। (৩) পনুমিয়া পিতা:আ.সত্তার। (৪) এমাদুল পিতা:হারুন তালুকদার (৫) আ.রফিক পিতা:দেলোয়ার কবিরাজ। (৬) আলামিন পিতা:গনেজালী হাং (৭) হারুন তাং পিতা:হাসান তাং (৮) কালাম পিতা:আ.মান্নান। সর্ব সাং ঝাড়াখালী, কড়ইবারিয়া।

মামলা এজাহার থেকে শুরু করে, পুলিশ আসামীদের ধরতে গরিমশি করছে বলে জানায় মামলায় বর্নিত সাক্ষীরা এছাড়াও ৬ নং আসামীকে জেল হাজতে পাঠালেও ১ থেকে শুরু করে ৮ নং আসামী এখন পর্যন্ত মুক্ত বাতাসে হাওয়া খাচ্ছে কিন্তু তাদেরকে পুলিশ ধরছে না বলে একাধিক ব্যাক্তিরা জানায়। কি কারনে আসামি ধরছে না? এ প্রশ্ন এলাকাবাসীর।

এছাড়াও বঙ্গ টিভির তালতলী ক্যামেরা পার্সোন পলাশ পুলিশকে আসামিদের তথ্য দিলে পুলিশ ৬নং আসামিকে গ্রেফতার করে লোকালয় তার নাম প্রকাশ করে দেয়। যার ফলে বর্তমানে সেই সাংবাদিক হুমকিতে রয়েছে। এছাড়াও মামলায় বর্নিত সাক্ষীগনও হুমকি মুখে রয়েছে বলে জানান তারা।

এবিষয়ে তালতলী থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলী হোসেন জানায়, ৬নং আসামিকে ধরে কোর্টে চালান দিয়েছে। বর্তমানে সে জেল হাজতে আছে। বাকি আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানান।

0Shares

Comment here