জাতীয়রকমারিরাজনীতিরুপসী বাংলাস্বাস্থ্যপাতা

অবশেষে ঈদের আগে ফেরি চলাচলের অনুমতি

স্টাফ রিপোর্টার : অবশেষে ঈদের আগে ফেরি চলাচলে অনুমতি দিল সরকার। ফলে ঘরমুখো যাত্রীদের আর বিড়ম্বনা পোহাতে হবে না।

সোমবার (১০ মে) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) পাটুরিয়া ঘাটের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) জিল্লুর রহমান।

সরকারি নির্দেশ আসা মাত্র সবফেরি চালু করে দিয়েছে পাটুরিয়া ঘাট কর্তৃপক্ষ।

জিল্লুর রহমান জানান, পাটুরিয়া ঘাটে ফেরি বাড়ানো হয়েছে। এই নৌরুটে ১৬টি ফেরির মধ্যে আটটা ফেরি দিয়ে লাশবাহী, অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি কাজে নিয়োজিত যানবাহন পার করা হচ্ছে। এর আগে ছয়টা ফেরি চলাচল করত।

বিআইডব্লিউটিসি গত শুক্রবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, শনিবার থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে দিনে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকবে। রাতে শুধু পণ্যবাহী পরিবহন পারাপারের জন্য ফেরি চলবে।

এরপর শনিবার বিজিবির পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়জুর রহমান ঘোষণা দেন, ফেরিতে যাত্রী পারাপার ঠেকাতে ঘাটে থাকবে তাদের টহল দল।

কিন্তু পাটুরিয়া ঘাটে রোববার বিজিবির টহল তেমন চোখে পড়েনি। বেলা ২টার দিকে অল্প কিছু সময়ের জন্য বিজিবির কয়েকজন সদস্যকে দেখা গেছে। বাকি সময় কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে দেখা যায়।

তবে এমন কোনো নির্দেশনা পাননি বলে জানিয়েছেন শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সাফায়েত আহমেদ। তিনি বলেন, ফেরি চালু করার ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা এখনও পাইনি। আর ঘাটে যাত্রীর চাপ একেবারে কম। ফলে পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান পারাপারের জন্য বিকেল পাঁচটার দিকে কুঞ্জলতা নামে একটি ফেরি ছাড়া হয়েছে। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে আরও ফেরি ছাড়া হবে।

দৌলতদিয়া ঘাট শাখার উপ ব্যবস্থাপক ফিরোজ শেখ বলেন, এখনও ও ইমারজেন্সি ফেরি চলতেছে। তবে সন্ধ্যার পর থেকে সবগুলো ফেরি চলবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ঘাটে ফেরি চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন ঈদ সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষ। শুধুমাত্র লাশ ও রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স এবং জরুরি কাজে ব্যবহৃত পরিবহনের ফেরি পারাপারে অনুমতি দেয়া হয়। তারপরও ঘাটে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড় বাড়তে থাকে। জীবনের ঝুঁকি নিয়েও অনেককে ফেরিতে উঠতে দেখা গেছে।

এদিকে ঘাটে অতিরিক্ত যাত্রীদের চাপে ফেরিগুলোতে অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি গাড়ি পারাপারে বিলম্ব হয়। ঘাটে আটকে থাকা বিভিন্ন ধরনের পচনশীল পণ্য নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছিল।

0Shares

Comment here