জাতীয়রকমারিরাজনীতিস্বাস্থ্যপাতা

পদ্মা নদীতে লঞ্চ চলাচল ঠেকাতে নদীতে লোহার পাইপের বেড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক : মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ের শিমুলিয়া ঘাট এলাকার পদ্মা নদীতে লঞ্চ চলাচল ঠেকাতে এবার লঞ্চ ঘাট এলাকার পদ্মা নদীতে লোহার পাইপ দিয়ে বেড়া দিয়েছে নৌপুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৬ মে) দুপুরে মাওয়া সংলগ্ন শিমুলিয়া লঞ্চ ঘাটের নদীর অংশে লোহার পাইপ ও ভাসমান বয়া দিয়ে ঘাটের প্রবেশমুখ বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ অভ্যন্তরিন নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এতে লঞ্চঘাট থেকে লঞ্চ ও ট্রলার চলাচলে আর সুযোগ রইল না। এর আগে বুধবার বিকেলে স্পিডবোট ঘাটে বাঁশ-রশি ও লাল কাপড় দিয়ে ব্যারিকেড দেয় মাওয়া নৌ-পুলিশ।

দুপুরে দেখা যায়, লঞ্চঘাটের বিপরীত দিকের চরে নোঙর করা রয়েছে অনেক লঞ্চ। ঘাটে লঞ্চ প্রবেশ ও বের হওয়ার মুখে নদীতে ভাসমান ড্রাম জাতীয় বয়ার মাধ্যমে ড্রেজিং পাইপ দিয়ে আটকে দেয়া হয়েছে। স্পিডবোট ঘাটে টহলরত অবস্থায় রয়েছেন নৌ-পুলিশের সদস্যরা। নৌ-রুটে চলাচলকারী স্পিডবোটগুলোও ঘাটে নোঙর করা রয়েছে।

 

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র শিমুলিয়া বন্দর কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন জানান, লকডাউনে নির্দেশনা অনুযায়ী নদীতে আর যেন কোনো স্পিডবোট, ট্রলার ও লঞ্চ চলাচল করতে না পারে সেজন্য ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। লকডাউনের ১৬ তারিখ পর্যন্ত এ নির্দেশনা চলবে।

লকডাউনে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌ-রুটে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকার নির্দেশনা ছিল। তবে সে নিয়ম উপেক্ষা করেই পদ্মায় চলছিল এসব স্পিডবোট। গত সোমবার নিয়ম অমান্য করে চলতে গিয়ে মাদারীপুরের শিবচরে কাঠাঁলবাড়ী ঘাটের কাছে বাল্কহেডের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনায় একটি স্পিডবোটের ২৬ যাত্রী নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হন আরও ৫ যাত্রী।

0Shares

Comment here