জাতীয়ধর্মকর্মরাজনীতিরুপসী বাংলাশিক্ষাঙ্গনসীমানা পেরিয়েস্বাস্থ্যপাতা

আক্কেলপুর বধ্যভূমিতে চলাচলের রাস্তা সংস্কার কাজ পরিদর্শনে ইউএনও

আক্কেলপুর প্রতিনিধি || ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধে স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার আলবদর পাক-হানাদার বাহিনীর সহযোগিতায় বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ ৫০জন নিরীহ্ মুক্তিকামী মানুষকে হত্যা করে জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের আমট্টবেলায় মাঠ বধ্যভূমি নামে পরিচিত তৎকালীন একটি বিশাল পাইকড় গাছের নিচে মাটি খুঁড়ে একই স্থানে পুতে রাখে।

 

দেশ স্বাধীনতা লাভের পর উক্তস্থানে ১৯৯৬ সালে তৎকালীন আক্কেলপুর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মুক্তিযোদ্ধা নূর হোসেন তালুকদার এই গনকবরের উপর বধ্যভূমি নামে একটি স্মৃতিফলক উম্মেচন করেন। সেই সময় থেকে চিহ্নিত স্থান হিসেবে পরিচিত লাভ করলেও বধ্যভূমিটি মাঠের মাঝখানে অবস্থিত হওয়ায় চলাচলের কোন রাস্তা ছিলনা। এছাড়া সরকারি খাস জমি না থাকায় রাস্তা করাটাও দুরূহ ব্যাপার ছিল।

আক্কেলপুর উপজেলা প্রশাসনের একান্ত প্রচেষ্ঠায় জাতীয় সংসদের হুইপ ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি’র সার্বিক সহযোগিতায় ২ লক্ষ্য টাকা ব্যয় নির্ধারণ করে প্রায় দুইশত মিটার কাঁচারাস্তা সংস্কারের কাজ শনিবার (২৪এপ্রিল) পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস.এম. হাবিবুল হাসান।

 

বধ্যভূমির কাঁচারাস্তা সংস্কার পরিদর্শন কালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অফিসার এস.এম. হাবিবুল হাসান ‘দিগন্তর’কে বলেন, বধ্যভূমিটি মাঠের মাঝখানে অবস্থিত হওয়ায় চলাচলের কোন রাস্তা ছিলনা। এছাড়া সরকারি খাস জমি না থাকায় রাস্তা করাটাও দুরূহ ব্যাপার ছিল। পরবর্তীতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মতবিনিময় করে বধ্যভূমিতে যাবার রাস্তার কাজ শুরু করা হয়। ইতিহাস পর্যালোচনায় জানা যায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনী কর্তৃক প্রায় ৫০ জন কে মেরে এখানে মাটিচাপা দেয়া হয়। নতুন প্রজন্মকে এসব ইতিহাস জানতে হবে। আমরা চাই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বড় হবে। এখন থেকে প্রতি বছর জাতীয় দিবসগুলোতে স্কুলের ছাত্র ছাত্রী দের সহ এখানে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে শ্রদ্ধা জানানো হবে। এ কাজ কোন ভাবেই সম্পন্ন হতো না যদি মাননীয় সাংসদ জনাব আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি মহোদয় এখানে একটি প্রকল্প না দিতেন। আমি বিশেষভাবে মাননীয় হুইপ স্যার এবং জেলা প্রশাসক স্যারের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

চৈতন্য চ্যাটার্জী
আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি

0Shares

Comment here