জাতীয়রুপসী বাংলাশিক্ষাঙ্গনসীমানা পেরিয়ে

গোপনে স্কুলের গাছ কেটে টাকা আত্মসাৎ

যশোর থেকে সাদ্দাম মির্জা : করোনাকালীন সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সুযোগে কাউকে না জানিয়ে যশোর সদর উপজেলার আব্দুল বারি বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৩ টি বড় বড় মেহগনি গাছ বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে।

প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের যোগসাজসে গাছ বিক্রি করে টাকা আত্মসাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ। প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির দাতা সদস্য সাজেদুল হাসান মিন্টু, অভিভাবক সদস্য আবু সাঈদ,ও বিদ্যোৎসাহী সদস্য আবু সিদ্দিক অভিযোগ করেন।

তিনি জানান, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তিনি স্কুলের সাথে আছেন। স্কুলের মাঠে ২০ বছরের পুরানো মেহগনি গাছ লাগানো ছিল। করোনাকালীন সময়ে স্কুল বন্ধ থাকায় অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা স্কুলে তেমন কেউ যান না। এ সুযোগ ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়াই সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের যোগসাজসে ৩ টি বড় বড় মেহগনি গাছ বিক্রি করা হয়েছে। গাছ কাটার পর মাটি ভরাট করে ঢেকে রাখা হয়। যাতে মানুষের নজরে না আসে। গাছগুলোর মূল্য এক লাখ টাকার কাছাকাছি হবে। এর আগেও ১৫ টি গাছ কাটা হয়েছে টাকা ফান্ডে জমা দেয়া তো দূরের কথা তারা টাকার কোন হিসাবও দিচ্ছেন না। টাকা আত্মসাত করা হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো ইব্রাহিম হোসেন জানান, গাছ কাটার ঘটনাটি সঠিক। গোপনে সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক নিয়মনীতি না মেনেই গাছ বিক্রি করেছেন। ম্যানেজিং কমিটির কোন সদস্যকেই জানানো হয়নি। টাকা আত্মসাত করা হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে আব্দুল বারী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্কুলটি ধ্বংস হয়ে যাবে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। কিন্তু তিনি এই বিষয় কিছু যানেন না । ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে নিলে প্রতিষ্ঠানটি বেঁচে যাবে।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, স্কুলের গাছ কাটা হয়নি। যারা অভিযোগ করছেন তারাই বিষয়টি সর্ম্পকে ভাল বলতে পারবেন।

প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান লাভলু বলেন, আম্ফান ঝড়ে উপড়ে পড়া গাছ কাটা হয়েছে। এছাড়া কোন গাছ কাটা হয়নি। অভিযোগটি সত্য নয়।

যশোর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বলেন, এ ধরণের কোন অভিযোগ আমার কাছে কেউ করেননি। অভিযোগ পেলে আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0Shares

Comment here