অর্থনীতিজাতীয়প্রযুক্তি

শ্রীমঙ্গলে চেতনানাশক দ্রব্য খাইয়ে ডাকাতি

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি
সৈয়দ আমিনুল ইসলাম আল আমিন: :মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে(৩ ফেব্রুয়ারী)বুধবার দিবাগত রাতে শ্রীমঙ্গল উপজেলার শ্যামলী আবাসিক এলাকায় একই পরিবারের ৭ সদস্যকে চেতনানাশক দ্রব্য খাইয়ে ডাকাতি করে গহনা ও নগদ টাকাসহ মালামাল নিয়ে যায় ডাকতরা।

স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, বাংলাদেশ সেল ফোন রিপিয়ার টেকনিশিয়ান এসোসিয়েশন সভাপতি, মোবাইল ওয়ার্কশপের, সত্ত্বাধিকারী খালেদ আহমেদ (৩৫) এবং উনার মা, স্ত্রী, দুই ভাই সহ কাজের মহিলা রাতের খাবার খাওয়ার পর অচেতন হয়ে ঘুমিয়ে পড়েন।

পরে বাসার জানালার গ্রীল ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে ডাকাত দল। বাসায় রক্ষিত স্বর্ণ অলঙ্কার ও নগদ টাকাসহ মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায় বলে জানান তারা। ভুক্তভোগীরা অসুস্থ থাকায় এর সঠিক হিসাব দিতে পারেননি।

আজ বৃহস্পিতবার সকালে এই বিল্ডিংয়ের ১৬ জনকে অচেতন অবস্থায় শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে স্থানীয়রা।

খবর পেয়ে (শ্রীমঙ্গল -কমলগঞ্জ) সার্কেল এর এএসপি আশরাফুজ্জামান আশিক, শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ মো:আব্দুস ছালেক, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হুমায়ুন কবির, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন,ঘটনায় সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের প্রচেষ্টা চলছে বলে তারা জানান।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী জানান, শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ১৬ জন রোগী ভর্তি করা হয়েছিল, এদের মধ্যে ৩ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করার হয়েছে। এবং ৬ জন রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর ছুটি দেয়া হয়েছে। আর বাকী ৭জন এখনও চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। তবে সকলেই আশঙ্কা মুক্ত রয়েছেন বলে জানান তিনি।

শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আব্দুস ছালেক জানান, আহত সকলেই মোটামুটি সুস্থ আছেন। আসামীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। খুব দ্রুতই এর রহস্য উন্মোচন করা হবে বলে জানান তিনি।

0Shares

Comment here