অর্থনীতিজাতীয়প্রযুক্তিলাইফস্টাইল

কুমিল্লা গোমতী নদী ও বড়ুরা কার্জন খাল থেকে দুই যুবকের লাশ উদ্ধার

কুমিল্লা প্রতিনিধি এ-কে পলাশ : কুমিল্লা একই দিনে সদর উপজেলা জগন্নাথপুর এলাকায় গোমতী নদীতে ও বরুড়া উপজেলা ভাউকসার এলাকায় কার্জন খাল থেকে ভাসমান দুই যুবকের মররেহ উদ্ধার করেছে বড়ুরা ও কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে জেলার সদর উপজেলা টিক্কারচর-জগন্নাথপুর এলাকায় গোমতী নদী থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ ও একই দিন বরুড়া উপজেলার ভাউকসার-একবাড়িয়া বাজার সড়কের মুগগাঁও কার্জন খাল থেকে এক যুবকের অর্ধ গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে বরুড়া থানা পুলিশ।
নিহত দুইজনের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে তিনি হলেন সুমন মিয়া (৩৫) উপজেলার ভাউকসার ইউনিয়নের মুগগাঁও গ্রামের আব্দুল মান্নান মিয়ার ছেলে।
এবিষয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আনোয়ারুল হক জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলেরা নগরীর টিক্কারচর ব্রিজ এলাকায় অজ্ঞাত এক যুবকের ভাসমান মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের ভাসমান অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এসময় নিহতের শরীরে গেঞ্জি ও লুঙ্গি ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা যাচ্ছে অর্ধগলিত মরদেহটি ৪-৫ দিন ধরে পানিতে ভাসমান অবস্থায় ছিলো বলে ধারণা করা হচ্ছে। আমরা ধারণা করছি ওসামনে ভারতীয় সীমান্ত অতিক্রম করে লাশটি ভারত থেকে গোমতি নদীর পানিতে ভেসে এসেছে। অজ্ঞাত এই ব্যক্তি সনাতন ধর্মের।নিহতের শরীরে গেঞ্জি ও লুঙ্গি ছিল ও পৈতা লাগানো রয়েছে। মৃত্যুর কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।
এদিকে একই দিন দুপুরে উপজেলার মুগগাঁও এলাকার কার্জন খালে ভাসমান এক যুবকের মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে বরুড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার কর ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (কুমেক) প্রেরণ করেন।
নিহত সুমন মিয়া গত দুইদিন ধরে নিখোঁজ ছিল। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে বলে তিনি জানান।
0Shares

Comment here