জাতীয়লাইফস্টাইলস্বাস্থ্যপাতা

কুমিল্লা চান্দিনায় অন্যত্র বিয়ে করায় প্রেমিকাকে ঢেকে এনে গণধর্ষণ, আটক-৭

কুমিল্লা প্রতিনিধি : কুমিল্লা চান্দিনায় হাড়িখোলায় অন্যত্র বিয়ে করায় মুঠোফোনে প্রেমিকাকে ডেকে বন্ধুদের দিয়ে গণধর্ষণ করালো প্রেমিক সুমন মিয়া। এঘটনায় প্রেমিক সুমনসহ ৭ জনকে আটক করেছে চান্দিনা থানা পুলিশ।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী প্রেমিকা বাদী হয়ে প্রেমিকসহ আটজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। রাতেই অভিযান চালিয়ে ৭ জনকে আটক করেছে চান্দিনা থানা পুলিশ।

আটককৃত আসামিরা হলেন- মোঃ সুমন মিয়া উপজেলার বেলাশহর গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে, মোঃ হোসাইন মিয়াতেঘরিয়া গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে, মোঃ জাহিদ হাসান পশ্চিম বেলাশহর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে, মোঃ নাজমুল একই গ্রামের আসম আলীর ছেলে, মোঃ সোহেল মনু মিয়ার ছেলে, মোঃ আবু মুছা হাড়িখোলা মাজার বাড়ির আবু শাহীনের ছেলে, মোঃ সানাউল্লাহ মোহনপুর গ্রামের মোতালেব মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় চান্দিনায় টেক্সটাইল মিলের এক নারী শ্রমিকের সঙ্গে পরিচয় হয় সুমন মিয়ার। দুইজনের মধ্যে তিন মাস প্রেমের সম্পর্ক চলার পর অন্যত্র বিয়ে করেন ওই নারী শ্রমিক। প্রেমিকার অন্যত্র বিয়ে কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না প্রেমিক সুমন মিয়া।

শুক্রবার রাত ৮টার দিকে সুমন মিয়া তার প্রেমিকার মোবাইলে কল করে জানায় তার স্বামীকে আটক করে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে প্রেমিকা চান্দিনা হাড়িখোলা মাজার এলাকায় পৌঁছে সুমনের সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় প্রেমিকা তার স্বামীর খোঁজ জানতে চাইলে সুমন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সাত যুবকের হাতে তুলে দিয়ে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। পুকুরপাড়ের এক নির্জন স্থানে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে ওই সাত যুবক।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামস্উদ্দীন মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান, এ ঘটনায় প্রেমিক সুমনসহ আটজনকে আসামি করে থানায় একটি গণধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রেমিকসহ সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ফারুক নামে এক আসামিকে গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত আছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে আটককৃত আসামিগণকে কুমিল্লা আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন বলে তিনি জানান।
0Shares

Comment here