অর্থনীতিখেলার মাঠেজাতীয়স্বাস্থ্যপাতা

১৫ সেপ্টেম্বরের পর প্রেক্ষাগৃহ খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত: তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক ||  করোনার ঝুঁকি এড়াতে দীর্ঘ পাঁচ মাস ধরে দেশের সকল প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সিনেমা হলের তালা কবে খুলবে তা নিয়েও রয়েছে যথেষ্ট সন্দিহান। তবে করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষন করে ১৫ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহ খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক এবং চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এ তথ্য জানান তথ্যমন্ত্রী।

এদিন বৈঠকের শুরুতে চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা সুদীপ কুমার দাস প্রেক্ষাগৃহ খুলে দেওয়ার দাবি জানান। এর প্রেক্ষিতে তথ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘বিষয়টি নিয়ে এর আগেও আপনাদের সঙ্গে আমি আলোচনা করেছি। তবে এই মুহুর্তে যে হারে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে এবং প্রতিদিনই যেভাবে মানুষ মারা যাচ্ছেন, তা সত্যিই দুশ্চিন্তার বিষয়। আর এই পরিস্থিতির মাঝেই সিনেমা হল খোলা কতটা যৌক্তিক হবে সেটাও একটা বড় প্রশ্ন।’

হাসান মাহমুদ আরও বলেন, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা দরকার। তারপর আপনাদের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নিব সিনেমা হল কবে খোলা যায়। এই সময়ের আগে হল খোলা কতটুকু যৌক্তিক হবে, সে বিষয়ে আমি পরিপূর্ণভাবে সন্তুষ্ট নই।

সিনেমা হলগুলো উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনেক আন্তরিক জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যখনই বিষয়টি নিয়ে তাঁর সঙ্গে আলাপ হয়েছে, তখনই এ ব্যাপারে নানা পরামর্শ-নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি আমাকে স্পষ্ট বলেছেন, আমি চাই প্রতি উপজেলায় অন্তত একটি করে সিনেমা হল হোক। গত একনেক মিটিংয়ে তিনি আইসিটি মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন, যাতে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সিনেমা হলগুলোকে আধুনিকায়নের জন্য কিছু করা যায়। ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে আইসিটি মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি, আমরা বসব। তাদের মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কীভাবে কী করা যায়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে যে আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করব, সে বিষয়ে আমি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেছি। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন, সিনেমা হল যেগুলো বন্ধ আছে সেগুলোকে চালু করা এবং নতুন সিনেমা হল চালু করার লক্ষ্যে একটি দীর্ঘমেয়াদি সফট লোন দেয়ার ব্যাপারে তিনি সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোকে নির্দেশনা দেবেন।

তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠকের সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার এবং চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু।

0Shares

Comment here