খেলার মাঠেজাতীয়

সরকারি হাসপাতালেও ভুয়া রিপোর্ট সরবরাহ

অনলাইন ডেস্ক || নমুনা না নিয়েই ভুয়া ‘করোনা নেগেটিভ’ রিপোর্ট বিক্রির অভিযোগে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টেকনোলোজিস্ট (ইপিআই) মাহফুজুর রহমানকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত হাসপাতালটিতে অভিযান চালায় কুষ্টিয়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ একটি দল।

আটককৃত মাহফুজ মিরপুর উপজেলার চুনিয়াপাড়া এলাকার মৃত ফজলুর রহমানের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে চাকরির জন্য করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট দিতে হচ্ছে। ওই চাকরি প্রার্থীদের কয়েক দিন ধরেই মিরপুর হাসপাতাল থেকে ভুয়া করোনা নেগেটিভ সনদ দিয়ে আসছিলেন মাহফুজুর রহমান। এর জন্য নেয়া হচ্ছিল ৭০০-১৫০০ টাকা।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশ গোপনে এ খবর পেয়ে মিরপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় দুপুর ১টায় মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অভিযান চালায়। ৫ ঘণ্টার অভিযান শেষে আটক করা হয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টেকনোলোজিস্ট (ইপিআই) মাহফুজুর রহমানকে।

এ সময় তার কাছ থেকে একটি কম্পিউটারের হার্ডডিক্স, একটি পেনড্রাইভ এবং একটি স্ট্যাম্প সিল ও ১৩টি নেগেটিভ করোনার ভুয়া সনদের ফটোকপি জব্দ করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কুষ্টিয়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডা. এইচএম আনোয়ারুল ইসলাম বাদী হয়ে মিরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডা. এইচএম আনোয়ারুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন সময়ে কুষ্টিয়া পিসিআর ল্যাবের তথ্য সম্বলিত ফরমেট ব্যবহার করে ভুয়া করোনার সনদ দিয়ে আসছিল মাহফুজুর রহমান। যারা প্রতারণার মাধ্যমে এভাবে করোনার সনদ দেবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এর আগে নমুনা পরীক্ষা ছাড়াই করোনার ভুয়া পজিটিভ-নেগেটিভ রিপোর্ট সরবরাহের অভিযোগে রাজধানীর উত্তরার বেসরকারী রিজেন্ট হাসপাতাল বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপর নানা অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সাহেদকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেয়া হয়। এছাড়া রাজধানীর আরও একটি হাসপাতালে ভুয়া রিপোর্ট সরবরাহের তথ্য সামনে আসে। ভুয়া করোনা রিপোর্ট সরবরাহের দায়ে জেকেজি হেলথকেয়ারের সাবরিনা ও আরিফ চৌধুরীকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেয়া হয়

0Shares

Comment here