খেলার মাঠেজাতীয়ধর্মকর্মরকমারিলাইফস্টাইলস্বাস্থ্যপাতা

শ্রীমঙ্গল গর্ন্ধবপুরে ভূয়া চুক্তিনামা দিয়ে বাগান দখলের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার || এক অসহায় পিতার আকুল আবেদন ফিরে পেতে চান ক্ষমতাবানদের দখলে থাকা একমাত্র উপার্জনের ফলের বাগান।

অভিযোগ সূত্রে জানাযায় মোঃ আব্দুল কাইয়ুম (৬০) পিতা-মৃত আব্দুল কাদির, গ্রাম গর্ন্ধবপুরে, বর্তমানে বসবাস করেন শ্রীমঙ্গল রামকৃষ্ণ মিশন রোডে। দখল হয়ে যাওয়া ফলের বাগান নিয়ে একাধিকবার শ্রীমঙ্গল থানায় অভিযোগ করেও পাচ্ছেন না এর কোন প্রতিকার।

প্রসঙ্গত শ্রীমঙ্গল উপজেলার মৌজা দক্ষিণ বৌলাছড়া, জে এল নং-১৬ আর এস খতিয়ান নং-১৫২,দাগ নং-৫৩৪ মোট ১একর ০২.৩৮ শতক বাগান যা আব্দুল কাইয়ুম মিয়ার একমাত্র উপার্জনের অবলম্বন। কিন্তু বিভিন্ন সময় আব্দুল আহাদ (২৮) গংরা মিলে বিভিন্ন সময়ে আব্দুল কাইয়ুম মিয়াকে উক্ত বাগান লিজ দেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করে তখন তিনি নিরুপায় হয়ে উনার ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে উনার মেয়ে নাজমা আক্তারের নামে উক্ত বাগান বিগত ৩০/০৭/২০১৮ইং সালে সাব রেজিস্ট্রার ও নামজারি করে দিয়ে দেন।

আহাদ মিয়া যখন বিষয়টি জানতে পারলেন, নাজমা আক্তারের নামে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন, তখন প্রতিহিংসা বশত আব্দুল কাইয়ুমের উপর আব্দুল আহাদ গংরা হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে চলে যায়। এলাকাবাসীর সহায়তায় মেডিকেলে নেওয়া হলে প্রাণে বেঁচে যান সেদিন। যে মামলায় আব্দুল আহাদ মিয়া দীর্ঘদিন সাজা ভোগ করে জামিনে বেরিয়ে এসে একটি ভুয়া চুক্তিনামা তৈরি করেন।

গত১৪/০৪/২০১৯ইং তারিখে ভূমি খেকো আহাদ মিয়া ভুয়া চুক্তিনামা নিয়ে প্রকৃত বাগানমালিক আব্দুল কাইয়ুম মিয়ার, বাগানটি দখলে নিয়ে নেন এবং উক্ত বাগানের ফসলাদি আব্দুল আহাদ মিয়া জোরপূর্বক ভোগ করে আসতেছেন। নিরুপায় হয়ে আব্দুল কাইয়ুম মিয়া বিভিন্ন গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও শ্রীমঙ্গল থানায় অভিযোগ দায়ের করেও প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন আব্দুল কাইয়ুম মিয়া। এ ব্যাপারে আব্দুল আহাদ মিয়ার কাছে গেলে তিনি আমাদের রিপোর্টারকে জানান। সম্পূর্ণ ডকুমেন্ট আছে তিনি জায়গাটি লিজ নিয়েছেন ৩ লক্ষ টাকা দিয়ে। নগদ ২ লক্ষ টাকা দিয়েছেন পরবর্তীতে ১ লক্ষ টাকা দিবেন বলে ওয়াধা করেছেন।

এদিকে অভিযোগের দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আল আমিনের সাথে যোগাযোগ করলে মোবাইল ফোনে উনি এ প্রতিবেদককে জানান আব্দুল আহাদ কোন (ডকুমেন্ট) কাগজপত্র  দেখাতে পারেননি এবং থানায় সালিশ বৈঠক হওয়া সত্বেও বিরোধের মীমাংসা হয়নি। এক প্রশ্নের জবাবে উনি আমাদেরকে জানান এই মামলার আইও উনি এখন নন। ওসি সাহেব বলতে পারবেন।

শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুছ ছালেক দুলাল এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান খুব শিগগিরই আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন বলে তিনি দিগন্তরকে জানান।

0Shares

Comment here