জাতীয়ধর্মকর্মপ্রযুক্তিরকমারিলাইফস্টাইলস্বাস্থ্যপাতা

মুন্সিগঞ্জে কাতার প্রবাসী এক যুবককে প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিতে থানায় মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক |  মুন্সিগঞ্জে ডিভোর্সি এক  নারী কর্তৃক কাতার প্রবাসী যুবককে প্রেমের জালে ফেলে ধর্ষণের অভিযোগ এনে নগদ অর্থ হাতিয়ে নিতে থানায় মামলা দায়ের করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযুক্ত ঐ নারীর নাম মোসাঃ ময়না বেগম। তার গ্রামের বাড়ি বরগুনায়। তারা স্ব পরিবার মুন্সিগঞ্জ জেলার মিরকাদিম এলাকায় বকুল মিয়ার বাড়ি ভাড়া থাকেন।

তার পিতার নাম মোঃ বেল্লাল হোসেন তিনি পেশায় একজন রিক্সাচালক, তার তিন মেয়ের মধ্যে ময়না সবার বড়।

ময়না ইতোপূর্বে বরগুনা ও খুলনার ২ যুবককে বিয়ে করে দেনমোহরের টাকা হাতিয়ে নিতে তাদেরকে ডিভোর্স করেছেন বলে জানাগেছে।

 

প্রাপ্ততথ্যে সূত্রে আরো জানাযায় মুন্সিগঞ্জ জেলার মিরকাদিম গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা মোঃ মাসুদ মিয়ার ছেলে মোঃ আল আমিন (২২) দীর্ঘদিন চাকরী শেষে এ বছরের জানুয়ারি মাসে কাতার থেকে বাড়িতে বেড়াতে এলে প্রতিবেশী ময়নার নজর পড়ে তার উপর। আল আমিন একেতো কাতার প্রবাসী অপর দিকে বেস হ্যান্ডসাম, তাই তাকেই টোপ হিসেবে বেছে নেয় ময়না। এরপর পরিচয়ের সুত্র ধরে তাদের মধ্যে এক সময় প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু এরই মধ্যে ময়নার আসল রুপ ফুটে আল আমিনের কাছে। আল-আমিন জানতে পারে সে ছাড়াও ময়না একাধিক যুবকের সাথে ইমো ও ম্যাসেন্জারে অশ্লীল কথাবার্তা ও খোলামেলা পোশাক পরে ভিডিও কলে কথা বলে। যা দেখে ক্ষুদ্ধ হয় আল-আমিন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে ময়না আল আমিনকে দেখে নেবে বলে হুমকি দেয়। বলে তুই যদি আমাকে বিয়ে না করিস তাহলে আমি তোকে জেলের ভাত খাইয়ে ছাড়বো। আল আমিন তাতে কর্নপাত না করলে (১৮ জুলাই) শনিবার রাতে  মুন্সিগঞ্জ থানায় আল আমিনকে আসামী করে ময়ন বেগম ধর্ষন ও নারী নির্যাতনের একটি  মামলা দায়ের করে, যার নম্বর-৬১।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই শ্রীবাস মামলা হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

এদিকে এ বিষয়ে আল আমিনের পিতা মোঃ মাসুদ মিয়া এ প্রতিবেদককে জানান মামলা হওয়ার পর থেকে ময়নার পিতা মাতা লোক পাঠিয়ে টাকার বিনিময়ে মামলা নিস্পত্বির প্রস্তাব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন।

অপরদিকে ময়নার বাবা মোঃ বেল্লাল হোসেনের  সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন আদালতেই এর ফয়সালা হবে। আমার মেয়ে নির্দোষ।

 

0Shares

Comment here