খেলার মাঠেজাতীয়রকমারিলাইফস্টাইলস্বাস্থ্যপাতা

শ্রীমঙ্গলে ছাদ কাউন্সিলরের ভাইয়ের নারী কেলেঙ্কারি, থানায় অভিযোগ

 

সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম হাসান | শ্রীমঙ্গলে ছাদ কাউন্সিলরের ভাই আরাফাত হোসেনের নামে সালমা আক্তার নামে এক গৃহবধূ ধর্ষনের অভিযোগে থানায় অভিযোগ করেছেন।

বিয়ের প্রলোভনে ঐ নারীকে তিনি গত (৫ বছর) যাবৎ ধর্ষণ করে আসছেন বলে শ্রীমঙ্গল থানায় অভিযোগ করেছেন তিনি ।

এজাহার ও বাদী সূত্রে জানা যায়, সালমা আক্তার (২৭) তার স্বামীকে নিয়ে শ্রীমঙ্গল মিশন রোডের  ইসলামাবাদে একটি ভাড়া বাসায় থাকতো। এলাকায় ভাড়াটিয়া হওয়ায় ক্ষমতার বলে কাউন্সিলরের ভাই আরাফাত হোসেন তার লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে প্রথমে তার স্বামী জুয়েলকে এলাকা ছাড়া করেন,পরে সালমাকে প্রেমের প্রস্তাব দেন তিনি। সালমা আক্তার এতে রাজী না হলে তার স্বামী সহ তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেন আরাফাত এতে তার প্রেমের ও বিয়ের প্রলোভন রাজি হন সালমা, এরপর বিয়ে না করেই স্বামী স্ত্রী হিসেবেই তারা একসঙ্গে ছিলেন।

এই প্রতিবেদককে সালমা আরো জানান আমার  স্বামীর বাড়ি হবিগঞ্জ তার কোন আত্মীয়-স্বজন, শ্রীমঙ্গলে না থাকার কারণে, বিবাদী আরাফাত হোসেন এলাকার প্রভাবশালী কাউন্সিলর ছাদ হোসেনের আপন ছোট ভাই হওয়ার কারণে তাহার সাঙ্গোপাঙ্গ লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে আমার স্বামীকে ভয়-ভীতি ও প্রাণে মারার হুমকি দিয়ে শ্রীমঙ্গল থেকে বিতাড়িত করে। পরবর্তীতে আমি নিরুপায় হয়ে তাহার প্রেমের প্রস্তাবে রাজি হই। এরপর লম্পট আরাফাত হোসেন সালমাকে মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে বিবাহ করিবে বলে তাহার বাড়ীতে নিয়ে আসে এবং দীর্ঘ (৫) বছর যাবত স্বামী-স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়ে একসাথে সংসার করেন।

সালমা বিভিন্ন সময় আরাফাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে নানা অজুহাত দেখিয়ে সময় অতিবাহিত করে, এবং বারংবার বিবাহ করিবে বলে মিথ্যা আশ্বাস দেয়।

সালমা আক্তার একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে চাকরি করেন, চাকুরীর বেতন এর সম্পূর্ণ টাকা আরাফাত হোসেন নিত। যদি টাকা না দেওয়া হতো লম্পট আরাফাত হোসেন সালমা আক্তারকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতো বলে তিনি জানিয়েছেন। সালমা বলেন  গত (১১ জুলাই) রাত্রি অনুমান ১১ টার দিকে সালমা আক্তারের কাছে রাখা আরাফাত হোসেন, ও সালমা আক্তারের, বেশ কিছু ছবি সহ, সকল ডকুমেন্ট জোরপূর্বক ভয়-ভীতি দেখিয়ে নিয়ে যান। এবং সালমা আক্তারকে বিয়ে করবেনা বলে মারপিট করে বাসা থেকে চলে যায়।

বাদী সালমা আক্তার আরো জানান বিবাদী আরাফাত হোসেন একজন লম্পট সে অনেক নারীর সংসার নষ্ট করেছে, মেয়েদের সাথে এরকম ঘটনা ঘটিয়ে, পালিয়ে যায়। শুধু একজন পৌরকাউন্সিলর ও এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ার, সুবাদে কেউ কোন প্রতিবাদ করার সাহস পায় না।

এই ঘটনা সম্বন্ধে শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সালেক এর সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি, পরবর্তীতে তদন্ত ওসি সোহেল রানার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে দিগন্তরকে জানান অভিযোগ পেয়েছি তদন্তের জন্য এসআই আলমগীর হোসেনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মোবাইল ফোনে এব্যাপারে কাউন্সিলর ছাদ জানান বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করছে, ঘটনার সততা পেলে আইনের বিধানে যা হবার তাই হবে।

তদন্ত কর্মকর্তা এস আই আলমগীর হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান তদন্ত করে বিস্তারিত জানাবেন।

0Shares

Comment here