জাতীয়রকমারিলাইফস্টাইলসীমানা পেরিয়ে

কেবিডিএ’র ৩য় বর্ষপূর্তিতে রমজান মাস জুড়ে প্রতিদিন ৩০ টাকার চ্যালেঞ্জ

 

মো.আকতার হোসেন,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: প্রাণঘাতী নোবেল করোনা ভাইরাস (COVID-19) এর থাবায় পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশই টালমাটাল বাদ পড়েনি বাংলাদেশ। মারাত্মকভাবে ছোঁয়াচে ভাইরাসটির সংক্রমণ দেশের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়া রুখতে গত ২৬ মার্চ ২০২০ তারিখ সারা দেশের ন্যায় এ জেলাও অতি জরুরী পণ্যের দোকান ব্যতীত সকল দোকান পাট বন্ধ ঘোষণা করা হলে চরম খাদ্য সংকটে পড়া ঘরবন্ধী কর্মহীন অসহায় ও ভাসমান মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষের পাশে এই রমজানে পুরো মাসব্যাপী বিনামূল্যে ৩০ টাকা সমপরিমান ইফতারের প্যাকেট হাতে তুলে দিচ্ছে স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন খাগড়াছড়ি ব্লাড ডোনারস এসোসিয়েশন (কেবিডিএ)

জানা যায়,খাগড়াছড়ি ব্লাড ডোনারস্ এসোসিয়েশন (কেবিডিএ) এর ৩য় বর্ষপূর্তি কল্যাণমূলক কিছু করার মধ্য দিয়ে উদযাপন করার লক্ষে মাসব্যাপী রোজাদারদের হাতে ইফতার তুলে দেওয়ার অভিনব উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে সংগঠনটির পক্ষ থেকে। যা ইভেন্ট আকারে চলবে রমজান মাস জুড়ে।

অতি অসহায়, ভাসমান মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষ, প্রাতিষ্ঠানিক হোম কোয়ারান্টাইনে থাকা মানুষদের ও হাসপাতালের অসহায় রুগীদের মাঝে ৩০ টাকায় ইফতার বিতরণ করছেন সংগঠনটির স্বেচ্ছাসেবীরা। কথা বলে জানা যায়, গত ২৭ এপ্রিল থেকে প্রতিদিন প্রায় ৩৩০ জনকে তারা ইফতার পৌঁছে দিয়েছে।

সংগঠনটির সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন কায়েশ জানান,সংকটময় এই মুহুর্তে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের পাশে স্বল্প সামর্থ্য নিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার লক্ষে উদ্যোগটি গ্রহন করা হয়েছে।লকডাউনে যখন সকল দোকানপাট বন্ধ ঘোষনা, কাজ কর্ম বন্ধ হয়ে যাওয়ার মত পরিস্থিতির সম্মূখিন হয়ে রোজা রেখেও ইফতার করতে অক্ষম পরিবারগুলোকে খুঁজে এলাকাভিত্তিক তালিকা করে প্রতিদিন তাদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে ইফতারের প্যাকেট। পাশাপাশি খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা রোগীর স্বজনদের হাতেও কেবিডিএ এর সৌজন্যে তুলে দেওয়া হচ্ছে ইফতার। পরিস্থিতি বিবেচনা করে শেষ রমজান পর্যন্ত চলমান থাকবে উক্ত কার্যক্রম।

সংগঠনটির সিনিয়র সহ সভাপতি আরিফুল ইসলাম মহিন জানান,আমরা খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম ও ঢাকাতে রক্তের প্রয়োজন প্রয়োজনীয়তা মিটিয়ে যাচ্ছি শুরু থেকে। শুধু রক্ত নয় মানব কল্যানে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এই বিপর্যয়ে অনেকেই অনেক ধরণের চ্যালেঞ্জে অংশগ্রহণ করেছেন। বিপর্যস্ত পরিবারের পাশে দাড়ানোর স্বার্থে কোয়ারান্টাইনে থাকা সকলকেই সুযোগ করে দেওয়ার জন্য এবারের চ্যালেঞ্জটি একটু ব্যতিক্রম। সফল হলেই হাসি ফুটবে কিছু মানুষের মুখে।

এতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটির সহ সাধ সদস্যরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছে।

0Shares

Comment here