খেলার মাঠেজাতীয়ধর্মকর্ম

ঝিকরগাছায় একজন চিকিৎসক দিয়েই চলছে দুটি কমিউনিটি ক্লিনিক 

শার্শা (যশোর) প্রতিনিধিঃ যশোরের ঝিকরগাছা শংকরপুরে দুটি কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসকের পদ দুই জন থাকলেও কর্মরত আছেন একজন।
দৈনিক গড়ে ১৪০/১৫০ জন রোগী আসে ঐ ক্লিনিক দুটিতে। আর এর মধ্যে চিকিৎসকের সেবা পেয়ে অনেকটা সন্তুষ্ট বলে জানিয়েছেন রোগীরা। এই চিত্রটি ঝিকরগাছা শংকরপুর ও জগদানন্দকাটি কমিউনিটি ক্লিনিকের।
বৃহস্পতিবার সরেজমিন ক্লিনিকে গিয়ে একজন চিকিৎসকের রোগীর সেবার দেখা মিলেছে। জাহাঙ্গীর হোসেন নামের ওই চিকিৎসক রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হলেও তার চিকিৎসা সেবার ফলে ওই ক্লিনিক দুটিতে আসা রোগীরা সেবা পেয়ে খুশি।
এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, তিনি ঝিকরগাছা জগদানন্দকাঠি কমিউনিটি ক্লিনিকের একজন চিকিৎসক। ২০১৯ সালের এপ্রিলে একই ইউনিয়নের শংকরপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের সেই সময় দায়িত্বে থাকা আজমুন্নাহার স্বাস্থ্য সহকারী পদে পদোন্নতি পাওয়ার ফলে পদটি শুন্য হয়ে যায়।সেই সময় থেকে জাহাঙ্গীর হোসেনের উপর দায়িত্ব পড়ে চিকিৎসা সেবার।
তিনি শংকরপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে দুইদিন শনিবার ও মঙ্গলবার এবং জগদানন্দকাটি কমিউনিটি ক্লিনিকে রবিবার, সোমবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন।
চিকিৎসক কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন আরও বলেন,রোগিদের মধ্যে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রান্তরাই বেশি। যার ফলে বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ১৪০/১৫০ জন রোগী আসে।
এ ব্যাপারে জগদানন্দকাটির কমিউনিটি ক্রিনিকের সভাপতি  ইউপি সদস্য হাবিবুল্লাহ জানান, জগদানন্দকাটি কমিউনিটি ক্লিনিকে দীর্ঘদিন যাবৎ চিকিৎসক জাহাঙ্গীর হোসেন এই গ্রামের গরীব রোগিদের সঠিক ভাবে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে এবং সঠিক ভাবে সরকারি বরাদ্দকৃত ওষুধ চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে রোগিদের হাতে পৌছে দিচ্ছে। তার বিরুদ্ধে রোগিদের কোন অভিযোগ নেয়।
এ ব্যাপারে ১০নং শংকরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নিছার উদ্দিন জানান, শংকরপুর ও জগদানন্দকাটি কমিউনিটি ক্লিনিকে বর্তমানে চিকিৎসা সেবা ভালো।এর কারন শংকরপুর ও জগদানন্দকাটি বাসি একজন দক্ষ চিকিৎসাক পেয়েছে।যার চিকিৎসা সেবার ফলে এলাকার গরিব অসহায় রুগীরা আজ সন্তুষ্ট ।
টিএইস এ হাবিবুর রহমান বলেন,জাহাঙ্গীর হোসেনের দায়িত্ব জগদানন্দকাটি কমিউনিটি ক্লিনিকে থাকলেও শংকরপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের পদ শুন্য হওয়াতে তাকে এখানে অতিরিক্ত ডিউটি করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক–সংকটের সমস্যার কথা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে অবহিত করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসকসহ জনবল পদায়নের জন্য জানানো হবে।
0Shares

Comment here