খেলার মাঠেজাতীয়ধর্মকর্ম

টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে ৮রোহিঙ্গা নিহত

 

রহমত উল্লাহ টেকনাফ প্রতিনিধিঃ টেকনাফে র‍্যাব ও বিজিবির সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ৮ রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। সোমবার টেকনাফের জাদিমুড়া গভীর পাহাড়ে কুখ্যাত ডাকাত দল জকি গ্রুপের সঙ্গে র‍্যাবের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১৫ সিটিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের ইনচার্জ লে.মির্জা শাহেদ মাহতাব।

অপর দিকে টেকনাফে বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক মাদক পাচারকারী নিহত হয়েছে।

তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় জানা যায়নি।

গতকাল রবিবার (১ মার্চ) রাতে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া জাদিখাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ বিজিবি ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লে. কর্নেল ফয়সল হাসান খান। বিজিবির দাবি,ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে দেড় লাখ ইয়াবা, একটি দেশীয় বন্দুক ও দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-১৫ সিটিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের ইনচার্জ লে. মির্জা শাহেদ মাহতাব তিনি বলেন, সোমবার ভোরে জাদিমোড়া পাহাড়ে কুখ্যাত ডাকাত জকিরের সন্ধানের খবরে তিনিসহ র‌্যাবের একটি দল ওই ক্যাম্পের পাশের পাহাড়ে অভিযান চালান। এ সময় পাহাড় থেকে র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় ডাকাত দল। র‌্যাবও আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায়। এতে সাত রোহিঙ্গা ডাকাত নিহত হয়। তাৎক্ষণিক তাদের নাম এখনও জানা যায়নি। এখনও এই অভিযান চলমান রয়েছে।

টেকনাফ বিজিবি ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লে. কর্নেল ফয়সল হাসান খান বলেন, রবিবার রাতে নয়াপাড়া জাদিখাল দিয়ে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে এমন সংবাদে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের বিশেষ টহলদল নোয়াপাড়া বিএসপি পোস্টে অবস্থান নেয়। টহলদল ২-৩ জন ব্যক্তিকে নৌকা নিয়ে নাফ নদী পার হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখে। নৌকাটি নয়াপাড়া জাদিখাল এর তীরে আসার সঙ্গে সঙ্গে টহলদল তাদের চ্যালেঞ্জ করলে নৌকায় থাকা ব্যক্তিরা লাফ দিয়ে খালের অপর পাশে নেমে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। টহলদল তাদের ধাওয়া করলে তারা বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি করে। বিজিবিও পাল্টা গুলি চালায়। উভয়ের মধ্যে প্রায় ৪-৫ মিনিট গুলি বিনিময় হয়। ইয়াবা পাচারকারীরা গুলি করতে করতে কেওড়া বাগানের ভেতর দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ায় তাদেরকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এসময় ৩ বিজিবি সদস্য আহত হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠায়। কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

0Shares

Comment here