জাতীয়রাজনীতিলাইফস্টাইল

কুমিল্লার সদর সার্কেল এএসপি ইমন বর্ষসেরা ২০১৯ অফিসার হিসেবে নির্বাচিত।

কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ কুমিল্লা সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তানভীর সালেহীন ইমন পিপিএম সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালের মতো ২০১৯ সালেও কুমিল্লা জেলার অফিসার অফ দ্যা ইয়ার নির্বাচিত হয়েছেন।মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) কুমিল্লা জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম বিপিএম (বার) পিপিএম গত এক বছরের সামগ্রিক পারফরম্যান্সে তাকে এক্সিলেন্স এওয়ার্ড প্রদান করেন।

কুমিল্লা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তানভীর সালেহীন ইমন পিপিএম এ পর্যন্ত রেকর্ড ২৫ বার কুমিল্লা জেলার সেরা সার্কেল অফিসারের পুরস্কার লাভ করেছেন। এছাড়াও তিনি একাধিকবার চট্টগ্রাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার হিসেবেও পুরস্কৃত হয়েছেন।

২০১৮ সালের পুলিশিং কার্যক্রমের সার্বিক মূল্যায়নে তিনি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিলেন। এবারও এক্সিলেন্স এওয়ার্ড লাভ করায় টানা দুই বার তিনি এক্সিলেন্স এওয়ার্ড পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।

কর্মক্ষেত্রে সততা, দক্ষতা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের জন্যে তানভীর সালেহীন ইমন ২০১৭ সালে রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) অর্জন করেন। এছাড়া ২০১৬ সালে তিনি আইজিপি ব্যাজ লাভ করেন।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রশ্নে আপসহীন ইমন দক্ষতা ও সততার সাথে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের দায়িত্ব পালন করে রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) ও আইজিপি ব্যাজ পুরস্কার পেয়েছেন।


কুমিল্লা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তানভীর সালেহীন ইমন করিমগঞ্জ উপজেলার স্বাধীন বাংলার প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী এবং উপজেলা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশিদের ভাতিজা এবং করিমগঞ্জের সর্বজন শ্রদ্ধেয় রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইকবালের ছেলে।তানভীর সালেহীন ইমন ২৮তম বিসিএস পরীক্ষায় পুলিশ ক্যাডারে মেধা তালিকায় ২৫তম স্থান দখল করে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। চৌকস এই পুলিশ কর্মকর্তা কুমিল্লা সদর সার্কেলে ২০১৬ সালের শেষ দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন।

বাংলাদেশে পুলিশের সৎ, নির্ভীক, দক্ষ ও জনপ্রিয় তরুণ অফিসার তানভীর সালেহীন ইমন ২০০০ সালে করিমগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০০২ সালে করিমগঞ্জ মহাবিদ্যালয় থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় স্টার মার্কস পেয়ে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে সম্মানসহ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ছোটবেলা থেকেই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ত। জাতীয় পর্যায়ে শিশু কিশোর প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে জাতীয় টেলিভিশন বিতার্কিক ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ১১টি জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।

১৭তম জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সারা দেশে রানার-আপ হন। এছাড়া ২০০৬ সালে ‘চ্যানেল আই ভাষা দিবস বিতর্ক প্রতিযোগিতা’য় শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হন।

0Shares

Comment here