অর্থনীতিজাতীয়রাজনীতি

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে: গণপূর্তমন্ত্রী।

দিগন্তর রিপোর্টঃ ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থী নির্বাচিত হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম।

তিনি বলেন, ‘ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে বলে আশা করি। যে প্রার্থীই নির্বাচিত হবেন, তাকেই আমরা প্রতিনিধি হিসেবে মেনে নেব। তবে আমাদের বিশ্বাস, আওয়ামী লীগের দু’জন প্রার্থীই নির্বাচিত হয়ে ঢাকা মহানগরীকে তিলোত্তমা, দুর্নীতিমুক্ত, সন্ত্রাস, যানজটমুক্ত করে গড়ে তুলবেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে কেউ কেউ ভুল করে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান বলেন। তখন আমরা প্রশ্ন তুলি, এক হাজার বছর আগে আরও কেউ ছিল কিনা। এটাই চূড়ান্ত যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

রোববার আইন, মানবাধিকার ও সংবিধানবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের সুপ্রিম কোর্টের কার্যালয়ে জাতির জনকের ছবি টাঙানোর পর তিনি এ সব কথা বলেন।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘গোটা জাতির জন্য একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় বাঙালি জাতির ইতিহাসে একজন মহামানবকে পাওয়া। সেই মহামানব জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘টুঙ্গিপাড়ার অজপাড়াগাঁয়ে বাগিয়ার খালের পাশে ছোট্ট একটি পরিবারে জন্ম হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর। এরপর খোকা মিয়া থেকে তিনি ধীরে ধীরে শেখ মুজিব, শেখ সাহেব, বঙ্গবন্ধু, জাতির জনক, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে তিনি বিশ্বের নির্যাতিত, নিষ্পেষিত মানুষের নেতায় পরিণত হন।’

ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘একাত্তরে যারা আমাদের দেশকে স্বীকৃতি দেয়নি, তারাই কিন্তু পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরের দিন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিল। এর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণে এটাই দাঁড়াল- এই লোকরা অপেক্ষা করছিল, শেখ মুজিবের মৃত্যু হলে বাংলাদেশকে স্বীকার করব, এর আগে না। এই ব্যক্তিরাই কিন্তু একাত্তর ও পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ে একই ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল। তারাই কিন্তু পাকিস্তানের অবয়বে বাংলাদেশকে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির মধ্যে নিয়ে আসার একটি চেষ্টা করেছিল। তারাই বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার করা যাবে না বলে ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স এবং পরে তা আইনে পরিণত করেছিল।’

নিজেদের দল প্রসঙ্গে গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এটা বলছি না যে, আওয়ামী লীগ সরকার সব ভালো কাজ করছে, আমরা সব ঠিক করে ফেলেছি। কিন্তু একটা কথা বলি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করার জন্য, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রী যে অদম্য ইচ্ছা ও সাহস দেখিয়েছেন, এটা বিশ্বের ইতিহাসে বিস্ময়।’

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসান রাজুর সঞ্চালনায় এবং সভাপতি ওয়াকিল আহমেদ হিরণের সভাপতিত্বে এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন- অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এএম আমিন উদ্দিন, সংগঠনের জ্যেষ্ঠ সদস্য ফারুক কাজী, মিজান মালিক, আশুতোষ সরকার, সাঈদ আহমেদ খান, মাজহারুল হক মান্না, মাশহুদুল হক প্রমুখ।

0Shares

Comment here