জাতীয়রুপসী বাংলালাইফস্টাইল

ব্যাপক উৎসাহ,উদ্দিপনা ও বর্নাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হলো মোংলা বন্দরের ৬৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।

মোঃজাহান জেব কুদরতী
মোংলা প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশের দ্বিতীয় সামুদ্রিক বন্দর ও দক্ষিন জন পদের রাজধানী খ্যাত মোংলা সামুদ্রিক বন্দর। ১৯৫০ সালের এই দিনে (১ লা ডিসেম্বর) এই বন্দরটির শুভ সুচনা হয়।

অসংখ্য বাধা-বিপত্তিকে উপেক্ষা করে বন্দর আজ ফিরে পেয়েছে তার পরিপূর্ণতা। যা আজ বিশ্বদরবারে একটা লাভ জনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে চিন্হিত হয়েছে।

১২ শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর এই প্রতিষ্ঠান টি দক্ষিন বঙ্গ তথা বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে বিশেষ ভুমিকা পালন করছে।

প্রতক্ষ্য ও পরোক্ষভাবে হাজার হাজার লোক এই বন্দরটির মাধ্যমে জীবীকা নির্বাহ করে চলেছেন।

আজকের এই বর্নাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথীর আসন অলংকৃত করেন দক্ষিণ জনপদের অবিসংবাদিত নেতা,বারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাবেক মন্ত্রী, বর্তমান মন্ত্রী পদমর্যাদা সম্পন্ন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র জননেতা আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক।

তিনি তার প্রধান অতিথীর বক্তৃতা কালে বলেন-এই বন্দরের আজ সু-সময়,জোট সরকারের আমলে মৃতঃ প্রায় এ বন্দর নানা সমস্যায় জর্জরিত ছিলো,ছিলো অবহলিত,নিষ্পেষিত ও শোষিত। রাহুর করাল থাবা থেকে বর্তমানে শেখ হাসিনা সরকার সেই বন্দরকে একটা পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন। এ অবদান একমাত্র আওয়ামী সরকারের।আর কারোর নয়।এবং ভবিষ্যতে বন্দরকে আরো সুসংগঠিত ও যুগোপযোগী করে তোলায় বিন্দু মাত্র কার্পন্য কিম্বা অবহেলা করা হবে না।

বিশেষ অতিথীর আসন অলংকৃত করেন – গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপমন্ত্রী এবং বারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য বেগম হাবীবুন্নাহার এম,পি।তিনি বলেন-বন্দরে কর্মরত সবাই আমরা একপরিবার ভুক্ত। আর এ অবদানটাও জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের। তাই উনার প্রতি আস্হা রেখে সামনে এগিয়ে যাবো সুন্দর ভবিষ্যতকে আরো অটুট রাখতে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল জনাব এম মোজাম্মেল হক বিএন এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন DIG (খুলনা রেন্জ) ডঃখন্দকার মহিদ উদ্দিন, DC(বাগেরহাট) মোঃ মামুনুর রশিদ, পুলিশ সুপার (বাগেরহাট) পংকজ রায় UNO(মোংলা) রাহাত মান্নান সহ রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যবসায়িক,সাংবাদিক সহ সর্ব স্তরের প্রায় ৩ সহস্রাধিক আমন্ত্রিত অতিথি বৃন্দ।

মধ্যান্নভোজনের শৃঙ্খলা ও মনোমুগ্ধকর রুচিসম্মত খাবার পরিবেশনা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় ও অনুস্বরনীয় বটে। সন্ধ্যা ৬ টায় শুরু হয় দেশ বরেন্য শিল্পীদের নিয়ে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।
সমাজ সচেতন মহলে উক্ত আয়োজন টি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং প্রশংসা ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রুপ নিয়েছে।

0Shares

Comment here