মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি।।মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সামিউর রহমান কম্পনকে (২৮) কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত।বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে তাকে আদালতে তোলা হলে আদালত মামলা পর্যালোচনা করে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। মানিকগঞ্জ সদর থানা কোর্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর আবুল খায়ের ও সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আমান উল্লাহ জানানছাত্র-জনতার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির কার্যালয় পোড়ানোর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।এছাড়া কম্পন হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন।মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আমান উল্লাহ জানান, গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় জেলা শহরে শহীদ রফিক সড়কে জেলা বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। এসময় আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রেজাউর রহমান খান আহত হন।এ ঘটনায় গত ২৫ সেপ্টেম্বর পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও জেলা জজ আদালতের আইনজীবী মুরাদ হোসেন মানিকগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন। এ মামলায় নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা সামিউর রহমানসহ মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মহীউদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালাম ও সদস্য আবদুস সালামসহ ৯১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৫০ জনকে আসামি করা হয়।রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে মানিকগঞ্জ সদর থানার পুলিশের একটি টিম। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সামিউর রহমান আত্মগোপনে চলে যান। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রংপুরের পীরগঞ্জের ডা. এম এ ওয়াজেদ মিয়া টেক্সাটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় সামিউরকে। গ্রেপ্তার সামিউরকে পুলিশ হেফাজতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে মানিকগঞ্জে নিয়ে এসে আজ আদালতে সোপর্দ করা হয়।