আবুল হাসান, নিজস্ব প্রতিবেদক।। বরগুনায় সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবদুর রশিদ (কালা রশিদ) ইকতিয়ার আলম শাওন মোল্লার হাতে লাঞ্চিত হওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি টক অব দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে।রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সামজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ওই ভিডিওটি ছড়িয়ে পরলে মুহুর্তেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়। শাওন মোল্লা বরগুনা জেলা বিএনপি'র সাবেক সভাপতি মাহবুবুল আলম ফারুক মোল্লার ছেলে।৩ মিনিট ৪২ সেকেন্ডের ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, বরগুনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে বিতর্কিত সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবদুর রশিদকে চোর, ডাকাত উপাধি দিয়ে হেনস্তা করতে থাকেন। একপর্যায়ে কমান্ডার রশিদের চোখের চশমা খুলে পিচ ঢালাইয়ের রাস্তায় স্বজোরে আছার মারেন নেতা শাওন মোল্লা। এসময় নিজের চশমা তুলতে গেলে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রশিদের মাথায় ও ঘাড়ে থাপ্পর মারেন শাওন মোল্লা।মুক্তিযুদ্ধের সময় দল বেঁধে ডাকাতি, টাকা নিয়ে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট বিতরণ, আওয়ামী লীগ ব্যতীত অন্য দলের মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে সনদ বাতিলের ভয়-ভীতি দেখিয়ে চাঁদা গ্রহণ, ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বিভিন্ন অফিসে দালালী সহ অনেক অভিযোগ রয়েছে কমান্ডার আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে।এ বিষয়ে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক সভাপতি আবদুর রশিদ বলেন, আমি মুরব্বি মানুষ, আমাকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বসে আমাকে লাঞ্চিত করা হয়েছে। আমি আল্লাহর কাছে বিচার দিলাম।ইখতিয়ার আলম শাওন মোল্লা বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন আমার বাবার মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিলের হুমকি দিয়ে আমার কাছ থেকে তিন লাখ টাকা নেন। আজ আমি উক্ত টাকা ফেরত চাইলে টাকা দিতে অস্বীকার করেন এবং আমার বাবা ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম মনিকে নিয়ে কটুক্তি করায় তার সাথে এমনটি করা হয়েছে।ভিডিওর বিষয়টি কেহ ঘটনার প্রথম থেকে ভিডিও করেনি। এক শ্রেণীর লোক ভিডিওর একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে ফায়দা লুটতে চাইছে।বরগুনা জেলা প্রশাসক মুহা. রফিকুল ইসলাম কালবেলাকে বলেন, এ বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত, এটা কোনভাবেই কাম্য নয়।