জহিরুল ইসলাম,তালতলী উপজেলা প্রতিনিধিঃ পৌষ থেকে শুরু হয়েছে গোল গাছ থেকে রস সংগ্রহ, চলবে ফাল্গুনের শেষ পর্যন্ত। তীব্র এই শীতের তিন মাস জুড়ে গাছ থেকে রস সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করেন বরগুনার তালতলী উপজেলার বেহালা গ্রামের প্রায় সাড়ে তিন'শ পরিবার।পরিমানে মিষ্টতা কম থাকায় দিন দিন বাড়ছে গোলের গুড়ের চাহিদা।জানা যায়, কোন এক সময়ের পরিত্যক্ত খালের পাড়ের জমিতে বুনেছে সবুজের সমারোহ। আর সেই সমারোহ বদলে দিয়েছে স্থানীয় শত শত পরিবারের ভাগ্য। হয়ে ওঠেছে সাড়ে তিন'শ পরিবারের উপার্জনের অন্যতম মাধ্যম। খাল-বিলে জন্মেছে অসংখ্য গোল গাছ। প্রতিদিন বিকেল বেলা গোল গাছের মুচি কেটে, পাত্র বেঁধে দেয় রস সংগ্রহকারীরা। সকালে সে পাত্র থেকে রস সংগ্রহ করে আগুনের তাপের সাহায্যে তৈরি করা হয় সুস্বাদু নোনা গুড়। প্রতি কেজি গোলের গুড় বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৮০-২০০ টাকা দরে। গোলের রস ও গুড় বিক্রি করে ভাগ্যের চাকা বদলে স্বাবলম্বী হয়েছে অনেক পরিবার। চাষিদের দাবি, পানি শেচ অথবা খাল খননের ব্যবস্থা করলে গোলের রস আরও বৃদ্ধি পাবে। গোলগাছ রক্ষায় সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা।তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, জনপ্রিয় এ গোলের গুড় জেলা ব্রান্ডিং তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার কথা জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার।বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস বলেন, গোলচাষীদের চাহিদা পূরণে খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হবে।