সাগর তালুকদার,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি।।সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার খাসিয়ামারা (মরা) নদী থেকে এখলাছ মিয়া (৪৫) নামের এক ব্যাক্তির লাশ উদ্ধার করেছে দোয়ারাবাজার ফায়ার স্টেশনের নেতৃত্বে সুনামগঞ্জ ডুবুরি টিম।খাসিয়ামারা (মরা) নদীর সোমবার ১৪ অক্টোবর সকাল অনুমান ০৮.৩০ ঘটিকা। ঘটনার স্থান দোয়ারাবাজার থানাধীন ০৩নং দোয়ারাবাজার সদর ইউনিয়নের শরীফপুর মোল্লাবাড়ীর সামনে খাসিয়ামারা নদীতে।অদ্য ১৪/১০/২০২৪ইং তারিখ সকাল অনুমান ০৮.০০ ঘটিকার সময় নিখোঁজ এখলাছ মিয়া (৪০) পিতা-মৃত নুর ইসলাম, সাং-শরীফপুর (মধ্যপাড়া), ইউ/পি-০৯নং সুরমা, থানা-দোয়ারাবাজার, জেলা-সুনামগঞ্জ।মৃত এখলাস মিয়ার ০২ (দুই) বছরের বাচ্চা আজিদুর রহমান সহ তাহার আপন চাচাতো ভাই ফারুক মিয়ার বাড়ী সংলগ্ন ছোট ডিঙ্গি নৌকা দিয়া খাসিয়ামারা(মরা) নদীতে চেলা জাল দিয়ে মাছ ধরতে আসে। সকাল অনুমান ০৮.৩০ ঘটিকার সময় প্রতিবেশী জালাল আহমেদ গাভীর দুধ নেওয়ার জন্য অন্য একটি নৌকা দিয়ে যাওয়ার সময় একটি ডিঙ্গি নৌকার মধ্যে ০২ (দুই) বছরের একটি ছেলেকে কাদতে দেখিয়া সে চিৎকার দিয়া বলে, এটা কার বাচ্চা।তখন নিখোঁজ এখলাছ এর চাচাতো ভাই ফারুক মিয়ার বাড়ীর লোকজন দৌড়াইয়া আসে এখলাছ মিয়ার বাচ্চাকে দেখে এবং তাকে লোকজন তার বাবা এখলাছ মিয়ার কথা জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ইশারা ইঙ্গিতে পানিতে ডুবে যায় দেখায়। তখন এখলাছ মিয়ার আত্মীয় স্বজহন জাল দিয়া ও বিভিন্নভাবে খোঁজাখুজি শুরু করে। সংবাদ পাইয়া ফায়ার সার্ভিস এর ডুবুরি দল ও পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। স্থানীয়ভাবে জানা যায় নিখোঁজ এখলাছ মিয়া হাই প্রেশারের রোগী ছিল। ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরির মাধ্যমে ০১.৩০ ঘটিকার সময় নদী হতে লাশ উদ্ধার করা হয়।আব্দুল হান্নান, ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার বলেন আমরা সকাল ৯টার দিকে ফোন পাই শরীফপুর একজন লোক নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে পড়ে যায়। তখন আমরা জনবল নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। স্থানীয় জেলেদের জাল দিয়ে অনেক চেষ্টা করার পর পাইনাই তখন বাধ্য বাধ্য হয়ে সুনামগঞ্জ থেকে ডুবুরি টিম নিয়ে আসি প্রায় ৩ ঘন্টার চেষ্টার পরে লাশ পাই এখন আমরা লাশ থানায় হস্তান্তর করবো। সুনামগঞ্জের ডুবুরি টিমের সহায়তায় ১টা ৪৫ মিনিটের সময় খাসিয়ামারা নদীতে সফল উদ্ধার অভিযান সম্পুর্ন হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন,জাহিদুল হক (অফিসার ইনচার্জ) ওসি দোয়ারাবাজার থানা৷ তিনি বলেন ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ পাঠানো হবে।