নিজস্ব প্রতিবেদক।।খুলনার ফুলতলা এলাকার জনৈক বাসিন্দা সুজন তার পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নিয়ে গত ৫ এপ্রিল ২০২৬ ইং তারিখে গফুর মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে গেলে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার পর চিকিৎসক জানান, পেটের বাচ্চাটি দুই দিন আগেই পেটের ভিতর মারা গেছে। দ্রুত অপারেশন করে বাচ্চাটি বের না করলে মায়ের ক্ষতি হতে পারে বলেও জানানো হয়।পরে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ওই নারীকে (সিজার) অপারেশনের মাধ্যমে বাচ্চাটি বের করা হয়। পরে বাচ্চার প্রাণের লক্ষণ ও নড়াচড়া দেখা যায় বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। কিছু সময় পর শিশুটির মৃত্যু হয়।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার চরম অসহায় অবস্থায় পড়েন। ঘটনায় পর ডাক্তার মঞ্জুর মোরশেদ গতকাল রোববার ১২ এপ্রিল নিজ ক্লিনিকে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন” সেখানে তিনি আত্মপক্ষ সমর্থন করে ঘটনার বিষয়াদি তুলে ধরেন এবং নিজেকে নি:ষ্পাপ দাবী করেন।সেখানে দুজন স্থানীয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তিনি চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলেন এবং টাকা না দেয়ার কারনে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রপাগাণ্ডা ছড়িয়ে হেনস্থা করেন বলে জানান। তবে স্থানীয়দের দাবি, গফুর মেমোরিয়াল হাসপাতালকে নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।“ এর আগেও ফুলতলার বাসিন্দা তানভীর তার দুই মাসের নবজাতককে চিকিৎসার জন্য গফুর মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে গেলে ওইখানের কর্মকর্তার সঙ্গে তানভীরের কথা কাটাকাটি পরে তার মোবাইল ভেঙে ফেলেন এবং ভয়-ভীতি ও হুমকির ঘটনাও ঘটে। এ ঘটনার পর তানভীর ফুলতলা থানায় অভিযোগ দায়েরও করেন।